
বিধানসভার কোনও সদস্যের বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ বা গ্রেফতারির পথে হাঁটলে আগাম অনুমতি নিতে হয় অধ্যক্ষ্যের। কিন্তু নারদ কাণ্ডে তিন বর্তমান বিধায়কের গ্রেফতারি নিয়ে বিধানসভার অধ্যক্ষ ও সচিবালয়কে কার্যত অন্ধকারে রেখে ‘বেআইনি’ গ্রেফতারি করা হয়েছে। সোমবারই ক্ষোভ প্রকাশ করে জানান, বিধানসভার অধ্যক্ষ তথা বিশিষ্ট আইনজীবি বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি সেদিনই বারবার বলেন, ‘আমি সব সময় অফিসে থাকি। আমার অফিস খোলাই থাকে।
ভোটের সময়ে হলে আলাদা ব্যাপার ছিল কিন্তু নির্বাচিত অধ্যক্ষ থাকা সত্বেও তাঁর অনুমতি না নিয়ে কীভাবে বিধানসভার সদস্যদের গ্রেফতার করা হল’? এই ইস্যু নিয়েই এবার আইনি পথে হাঁটার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন বিধানসভার অধ্যক্ষ বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়।
ইতিমধ্যেই তিনি ও তাঁর সচিবালায় সমস্ত রকম রাস্তা ও আইনি পথ দেখছেন খুব শীঘ্রই হয়ত সিবিআই-এর বিরুদ্ধে আদালতে যাবেন তিনি। সিবিআই বারবার জানিয়েছে, তারা চার্জশিটের ভিত্তিতে গ্রেফতারির জন্য রাজ্যপালের কাছে আর্জি জানান, তাতে সাড়া মিলতেই এই প্রক্রিয়াতে নামেন। কিন্তু আইন বলছে রাজ্যপাল সাংবিধানিক প্রধান হলেও তাঁর কোনও এক্তিয়ার নেই, চার্জশিটে অনুমোদন দেওয়ার। এটা পুরোটাই রাজনৈতিক অভিসন্ধি হিসেবে দেখছে রাজনৈতিক মহল।
নব নির্বাচিত সরকারকে বেকায়দায় ফেলার ফন্দি আঁটছে কেন্দ্রের নেতারা আর তাতে মদত দিচ্ছে রাজ্যপাল ও সিবিআই। তাই এই ‘বেআইনি’ গ্রেফতারির জন্য আদালতের দ্বারস্থ হচ্ছেন স্পিকার।
সিবিআই যদিও জানিয়েছেন তারা এমন নয় অধ্যক্ষকে জানাননি। যদিও বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়ের দাবি তিন নেতাকে গ্রেফতারের পরদিন তাঁকে জানানো হয়েছে তাও ‘বেআইনি’। শোভন চ্যাটার্জী বাদে বাকি তিন নেতাই বর্তমানে নব নির্বাচিত বিধায়ক। তাই তাঁদের বিরুদ্ধে আইনি প্রক্রিয়া বা গ্রেফতারির পথে হাঁটলেই অনুমতি প্রয়োজন অধ্যক্ষ্যের যার পথে হাঁটেনি সিবিআই। অর্থাত্ নিজেদের জালে ফের নিজেরাই জড়াতে পারে বলে মত রাজনৈতিক মহলের।
অপরদিকে লকডাউনের সময় করোনা বিধি ভঙ্গ ও অবৈধ জমায়েতের জন্য গড়িয়াহাট থানায় সিবিআই-এর বিরুদ্ধে একাধিক ধারায় এফআইআর দায়ের করেছেন মহিলা তৃণমূল কংগ্রেসের সভানেত্রী ও রাজ্যের মন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য।
সূত্র : এই মুহুর্তে



