স্বাস্থ্য

কম্পিউটার ভিশন সিনড্রোম থেকে বাঁচতে যা করণীয়!

ডা. শরমীন সোহেলী

কম্পিউটার ভিশন সিনড্রোম থেকে বাঁচতে যা করণীয়! - West Bengal News 24

টিভি দেখতে গেলে বা স্ক্রিনের সামনে কাজ করতে গেলে অনেক সময় চোখ দিয়ে পানি পড়ে, লাল হয়ে যায় চোখ, ফুলে যায়, চোখ কড়কড় করে, ঘাড়ে ও পিঠে ব্যথা করে। সর্বক্ষণ স্ক্রিনের দিকে তাকিয়ে থাকলে এমন সব সমস্যা হয়ে থাকে। আর এই সব সমস্যাকে ‘কম্পিউটার ভিশন সিনড্রোম’ বা সিভিএস বলা হয়।

সমস্যা:-

একনজরে একদিকে বেশিক্ষণ তাকিয়ে থাকার কারণে দৃষ্টিশক্তির ওপরে চাপ তৈরি হচ্ছে।

ফলে রক্ত চলাচল কম হয়। এ কারণে প্রতি ১০০ জনের মধ্যে প্রায় ৭০ জন ভিশন সিনড্রোমের শিকার। এমন সময় চোখে সামান্য আলো পড়লেই বিরক্ত লাগে।
বেশিক্ষণ কম্পিউটারের দিকে তাকিয়ে থাকলে চোখ খসখস করে, ডাক্তারি ভাষায় যাকে ‘ড্রাইআই’ বলা হয়।

অভিভাবক যদি সচেতন না হন, তাহলে বাচ্চাদের চোখ ট্যারা হয়ে যাওয়ারও আশঙ্কা থাকে।

 

সমাধান:-

কম্পিউটার স্ক্রিন অর্থাৎ মনিটর থেকে নির্দিষ্ট দূরত্বে বসে কাজ করতে হবে। মনিটরের উচ্চতা ও চোখের মধ্যে সামঞ্জস্য থাকলে ঘাড়ে ব্যথার হাত থেকেও রেহাই পাওয়া যাবে।

কম্পিউটার স্ক্রিনের কনট্রাস্ট ও ব্রাইটনেস অ্যাডজাস্ট করা। বেশি ঝলমলে রং থেকে চোখকে বাঁচায় কনট্রাস্ট। ব্রাইটনেস কম করলে চোখের পক্ষে তা আরামদায়ক।

কম্পিউটার ভিশন সিনড্রোম থেকে বাঁচতে যা করণীয়! - West Bengal News 24

অফিসের কাজের ফাঁকে মাঝেমধ্যে চোখকে আরাম দেওয়া প্রয়োজন। প্রতি আধাঘণ্টায় পাঁচ থেকে ১০ মিনিটের বিরতি নিতে হবে।

কম্পিউটারে কাজ করার জন্য নির্দিষ্ট চশমা পাওয়া যায়, সেটা পরে কাজ করাই ভালো।

কিছুক্ষণ বিরতিতে চোখে পানির ঝাপটা না দিয়ে বরং বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেওয়া এবং পরামর্শ অনুযায়ী চোখে আই ড্রপ ব্যবহার করা।

কম্পিউটার ভিশন সিনড্রোম থেকে বাঁচতে যা করণীয়! - West Bengal News 24

ঘরের মধ্যে প্রয়োজনমতো আলো জ্বালিয়ে কাজ করা। স্ক্রিন ব্যবহারের সময় বারবার চোখের পাতা ফেলতে হবে (অন্তত ২০ বার) আর এসবেও সমস্যা সমাধান না হলে ডাক্তারের পরামর্শ নিতে হবে।

ঘুমোতে যাওয়ার আগে দীর্ঘক্ষণ মোবাইল ফোনসেট ব্যবহার না করা।

প্রতি ২০ মিনিট কম্পিউটার অথবা মোবাইল ফোনসেট ব্যবহারের পর কম করে হলেও ২০ সেকেন্ড দূরে তাকিয়ে থাকতে হবে।

 

আরও পড়ুন ::

Back to top button