রাজ্য

মাল নদীতে দুর্ঘটনা নিয়ে মানুষকে ভুল বোঝানোর চেষ্টা করা হচ্ছে’, বিবৃতি পেশ করে জানাল নবান্ন

ওয়েস্ট বেঙ্গল নিউজ ২৪

মাল নদীতে দুর্ঘটনা নিয়ে মানুষকে ভুল বোঝানোর চেষ্টা করা হচ্ছে', বিবৃতি পেশ করে জানাল নবান্ন

প্রশাসন আগে থেকে সতর্ক থাকলে এই ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতো না। জলপাইগুড়ির মাল নদীতে বিসর্জনের সময় ভয়াবহ বিপর্যয় নিয়ে প্রশাসনের গাফিলতিকেই দায়ী করে এমনটাই জানিয়েছে বিরোধীরা। সেইসঙ্গে উদ্ধাকার্যের বিষয়েও প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে সুর চড়িয়েছেন বিরোধীরা। কিন্ত ঘটনাকে কেন্দ্র করে মানুষকে ভুল বোঝানোর চেষ্টা করা হচ্ছে। এক বিবৃতি পেশ করে জানাল নবান্ন।

বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, মাল নদীতে আচমকা হড়পা বানের কারণে ৮ জনের মৃত্যু হয়। আহত হয়েছেন ১৪ জন। আহতদের মধ্যে ৮ জন ইতিমধ্যে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরে গিয়েছেন। বাকিরা মাল মহকুমা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।

আরও পড়ুন :: একদিনের’ ধর্না প্রত্যাহার এসএসসি চাকরিপ্রার্থীদের! ফেসবুকে বার্তা শুভেন্দুর

বিবৃতিতে এও বলা হয়, “দুর্ভাগ্যবশত, কোনও বিশেষ অভিসন্ধি নিয়ে কিছু শ্রেণীর মানুষ প্রাকৃতিক বিপর্যয়কে কেন্দ্র করে স্থানীয় প্রশাসনকে ও জনপ্রতিনিধিদের কালিমালিপ্ত করার চেষ্টা করছে। তা অত্যন্ত নিন্দনীয়। প্রশাসনের গাফিলতি ছিল। স্থানীয়ভাবে জল ছাড়া হয়েছে। প্রশাসন তৎপর থাকলে বিপর্যয় এড়ানো যেত। একথা বলে মানুষকে ভুল বোঝানোর চেষ্টা করা হচ্ছে। যা একেবারেই উচিত নয়।

প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, দুর্গাপুজোর দশমীর দিন জলপাইগুড়ির মালবাজারের মাল নদীতে প্রতিমা বিসর্জন উপলক্ষে বহু মানুষ জমায়েত হন। নিরঞ্জনের ঘাটের ধারে দাঁড়িয়েছিলেন তাঁরা। এছাড়া প্রতিমা নিয়ে আসা ট্রাকগুলিও নদীর ধারেই রাখা ছিল। রাত সাড়ে আটটা নাগাদ আচমকা নদীতে হড়পা বান আসে৷ ফলে হু হু করে বাড়তে থাকে নদীর জল। জীবন বাঁচাতে তড়িঘড়ি নিরাপদ স্থানে উঠে আসার চেষ্টা করেন অনেকে। কিন্তু ২৫ জনের বেশি মানুষ জলের স্রোতে ভেসে যান। ভেসে যায় ট্রাকগুলিও। দুর্ঘটনায় ৮ জনের মৃত্যু হয় এবং ১৪ জন আহত হন।

আরও পড়ুন ::

Back to top button