মহালয়া থেকে শুরু হবে বিশেষ নজরদারি! পুজোর ভিড় সামলাতে জেলা জুড়ে কড়া পুলিশি বন্দোবস্ত, জানালেন এডিজি জাভেদ শামিম
ওয়েস্ট বেঙ্গল নিউজ ২৪

আর মাত্র কয়েকটা দিন। তার পরেই শুরু বাঙালির শ্রেষ্ঠ উৎসব দুর্গাপুজো। মহালয়ার সঙ্গে সঙ্গেই রাতভর উৎসবে মেতে উঠবে শহর থেকে মফস্বল। সেই জনসমুদ্র সামলাতে ইতিমধ্যেই প্রস্তুতি শুরু করেছে রাজ্য পুলিশ। জেলা জুড়ে নামানো হবে অতিরিক্ত ১০-১৫ হাজার পুলিশকর্মী। শুধু দুর্গাপুজো নয়, উৎসব শেষে অনুষ্ঠিত কার্নিভালেও কড়া নজরদারির ব্যবস্থা থাকবে বলে জানিয়েছে পুলিশ সদর দপ্তর। সব মিলিয়ে ভিড় নিয়ন্ত্রণ ও মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রশাসন তৈরি— এমনটাই জানালেন এডিজি (আইনশৃঙ্খলা) জাভেদ শামিম।
তিনি জানান, মহালয়া থেকে রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় বিশেষ বাহিনী মোতায়েন করা হবে। নদীর ঘাটে নিরাপত্তা জোরদার করা থেকে শুরু করে প্যান্ডেলের ভিড় নিয়ন্ত্রণ— সর্বত্রই থাকবে পুলিশের নজর। তাঁর কথায়, “যে জেলায় যেমন পুজো হয়, সেই মোতাবেক পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। জেলাজুড়ে ১০ থেকে ১৫ হাজার পুলিশকর্মীরা রাস্তায় থাকবেন। হেড কোয়ার্টার ও অন্যান্য সব ফোর্সকে তৈরি রাখা হচ্ছে। তাছাড়াও অতিরিক্ত হোমগার্ড, এনসিসি, স্থানীয় যুবকদের কাজে লাগানো হবে। ট্রাফিক সচল রাখতে সব রকম ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। মহালয়া থেকে পুজোর চারদিন কাটিয়ে লক্ষ্মীপুজো পুজোর মরশুম দীর্ঘ। সুরক্ষা দিতে আমরা তৈরি।” তিনি আরও বলেন, “বাঙালির সেরা উৎসব দুর্গাপুজো। দর্শনার্থীদের সুরক্ষা দেওয়ার দায়িত্ব আমাদের। একটা ভালো পুজো উপহার দেওয়ার জন্য আমরা প্রস্তুত।”
কলকাতা ও পার্শ্ববর্তী এলাকার পাশাপাশি নজর দেওয়া হচ্ছে রানাঘাটের দিকেও। কল্যাণী আইটিআই মোড়ের পুজোতে প্রতিবছরই ভিড় জমে। এছাড়াও এবারের অন্যতম আকর্ষণ রানাঘাটের অভিযান সংঘের বিশাল প্রতিমা। সেই ভিড় নিয়ন্ত্রণেও ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। জাভেদ শামিমের কথায়, “রানাঘাটও অনেক ভিড় টানে। সব জায়গায় ভালো পুজো হচ্ছে। আগে থেকে হোমওয়ার্ক করা থাকলে সেই ভিড় সামলাতে অসুবিধা হবে না।”
পুজো শেষ হলেই পালা আসবে কার্নিভালের। শুধু কলকাতা নয়, জেলাগুলিতেও কার্নিভালে রাস্তায় উপচে পড়ে জনতা। তাই ওই সময়ও মোতায়েন থাকবে বাড়তি পুলিশ। যাতে কোনও অপ্রত্যাশিত পরিস্থিতি তৈরি না হয়, তার জন্য প্রস্তুত রাজ্য পুলিশ।



