বিধানসভা ভোটের আগে বড় পদক্ষেপ নির্বাচন কমিশনের! ডিজি-সহ পুলিশ প্রশাসনের শীর্ষ স্তরে বড় বদলি
ওয়েস্ট বেঙ্গল নিউজ ২৪

বিধানসভা ভোট ঘোষণার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই পশ্চিমবঙ্গের প্রশাসনে বড়সড় রদবদল করল নির্বাচন কমিশন। মুখ্যসচিব ও স্বরাষ্ট্রসচিবকে সরানোর পর এবার পুলিশ প্রশাসনের শীর্ষ স্তরেও একাধিক বদল আনা হয়েছে। কলকাতার পুলিশ কমিশনার থেকে শুরু করে রাজ্য পুলিশের ডিজি, এডিজি— একাধিক গুরুত্বপূর্ণ পদে নতুন কর্মকর্তাদের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। নির্বাচন কমিশনের নির্দেশ অনুযায়ী, আজ দুপুর ৩টার মধ্যেই নতুন দায়িত্ব গ্রহণ করতে হবে সংশ্লিষ্ট আধিকারিকদের।
কলকাতার পুলিশ কমিশনার পদে পরিবর্তন
নির্বাচন কমিশনের নির্দেশে কলকাতার পুলিশ কমিশনার পদ থেকে সরানো হয়েছে সুপ্রতিম সরকারকে। তাঁর জায়গায় নতুন পুলিশ কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পাচ্ছেন অজয় নন্দা।
রাজ্য পুলিশের ডিজি পদেও বদল
রাজ্য পুলিশের ডিজি পদ থেকেও সরানো হয়েছে পীযূষ পাণ্ডেকে। আপাতত এই পদে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে সিদ্ধিনাথ গুপ্তাকে।
আরও পড়ুন :: ভোট ঘোষণার পর বড় সিদ্ধান্ত, মুখ্যসচিব ও স্বরাষ্ট্রসচিব বদল করল নির্বাচন কমিশন
আইনশৃঙ্খলা দপ্তরে নতুন এডিজি
আইনশৃঙ্খলা রক্ষার গুরুত্বপূর্ণ পদেও বদল এনেছে কমিশন। বিনীত গোয়েলের পরিবর্তে অজয় মুকুন্দ রানাডে নতুন এডিজি (ল অ্যান্ড অর্ডার) হিসেবে দায়িত্ব নিচ্ছেন।
ডিজি, কারা পদে নতুন নিয়োগ
কারা দপ্তরের ডিজি পদে আনা হয়েছে নটরাজন রমেশ বাবুকে।
আজ দুপুর ৩টার মধ্যে দায়িত্ব নেওয়ার নির্দেশ
নির্বাচন কমিশনের বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, নতুন দায়িত্বপ্রাপ্ত সব আধিকারিককে আজ দুপুর ৩টার মধ্যে পদভার গ্রহণ করতে হবে। পাশাপাশি যাঁদের সরানো হয়েছে, তাঁদের নির্বাচন সংক্রান্ত কোনও কাজের সঙ্গে যুক্ত না থাকার নির্দেশও দেওয়া হয়েছে।
কমিশনের ‘অতিসক্রিয়তা’ নিয়ে প্রশ্ন শাসক শিবিরের
ভোট ঘোষণার পর এত দ্রুত প্রশাসনিক বদলিকে ‘অতিসক্রিয়তা’ বলে কটাক্ষ করেছে রাজ্যের শাসকদল। তাদের অভিযোগ, এই সিদ্ধান্তের নেপথ্যে কেন্দ্রের শাসকদল বিজেপির প্রভাব রয়েছে।
কমিশনের ফুল বেঞ্চ বৈঠকের পরেই বড় সিদ্ধান্ত
উল্লেখ্য, গত ৯ ও ১০ তারিখ নির্বাচন কমিশনের ফুল বেঞ্চ রাজ্যের ভোট পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে পশ্চিমবঙ্গে এসেছিল। সেই সময় পুলিশের শীর্ষ কর্তাদের সঙ্গে বৈঠকে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে কড়া বার্তা দেন বলে জানা যায়।
তিনি স্পষ্টভাবে জানান, হিংসামুক্ত নির্বাচন নিশ্চিত করতে পুলিশকে কঠোর ভূমিকা নিতে হবে।



