ফের উত্তপ্ত শীতলকুচিত চলল গুলি, মৃত এক বিজেপি কর্মী
![]()
ভোটের ফলাফলের পর ফের গুলি চলল শীতলকুচিতে। তৃণমূল ও বিজেপির মধ্যে সংঘর্ষে উত্তপ্ত হয়ে উঠল এলাকায়। গুলি লেগে মৃত্যু হল এক বিজেপি কর্মীর। অন্যদিকে পূর্ব বর্ধমানের রায়নায় তৃণমূল সমর্থক এক ব্যক্তিকে পিটিয়ে খুনের অভিযোগ উঠল বিজেপির বিরুদ্ধে। পাশাপাশি উত্তর ২৪ পরগনার দেগঙ্গায় এক আইএসএফ সমর্থককেও খুন করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
গত ১০ তারিখ চতুর্থ দফায় ভোটের দিন সংবাদ শিরোনামে উঠে এসেছিল কোচবিহারের শীতলকুচি। জোড়পাটকির ১২৬ নং বুথের বাইরে কেন্দ্রীয় বাহিনীর গুলিতে ৪ সাধারণ ভোটারের মৃত্যু হয়। ঘটনায় ভোটগ্রহণ স্থগিত করে দেওয়া হয়। শেষ দফার ভোটে ২৯ এপ্রিল ফের সেখানে ভোট নেওয়া হয়।
কিন্তু রবিবার ভোটের ফলাফল বের হলে দেখা যায়, তৃণমূল প্রার্থী পার্থপ্রতিম রায়কে প্রায় ২১ হাজার ভোটে হারিয়ে জয় পান বিজেপি প্রার্থী বরেণচন্দ্র বর্মণ। সোমবারই বুড়াপঞ্চার হাট এলাকায় তৃণমূল-বিজেপির মধ্যে সংঘর্ষ বেধে যায়। অভিযোগ, সংঘর্ষে এলোপাথারি গুলি চলে। তখনই গুলিবিদ্ধ হন এক যুবক। দিনহাটা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ীা হলেও তাঁকে বাঁচানো যায়নি। মৃত যুবককে নিজেদের কর্মী বলে দাবি করে বিজেপি।
অন্যদিকে ফলপ্রকাশের পর থেকেই উত্তপ্ত হয়ে ওঠে পূর্ব বর্ধমানের রায়নার সমসপুর। সোমবার উত্তজেনা চরমে পৌঁছয়। হাতাহাতি থেকে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে তৃণমূল ও বিজেপির কর্মীরা। ঝামেলা মেটাতে গেলে এক বৃদ্ধকে বেধড়ক মারধর করা হয়।
গুরুতর আহত অবস্থায় তাঁকে বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। তবে চিকিত্সকরা তাঁকে মৃত ঘোষণা করে। ঘটনায় মৃতের পরিবারের সদস্যদের অভিযোগ, তারা তৃণমূল সমর্থক। সংঘর্ষ থামাতে গেলে তাঁকে ইচ্ছেকৃত বাঁশ, লাঠি দিয়ে মারধর করে বিজেপির কর্মীরা। ঘটনায় খুনের অভিযোগও দায়ের করা হয়েছে।
সূত্র: এই মুহুর্তে



