মুকুল-শুভেন্দু কোথায়? BJP-তে যোগ দেওয়ায় ছাড়? নারদকাণ্ডে ফিরহাদদের গ্রেফতারিতে প্রশ্ন তৃণমূলের

রাজ্যজুড়ে কার্যত লকডাউনের মাঝেই রাজনৈতিক উত্তেজনা তুঙ্গে। সোমাবার সাত সকালে নারদ মামলায় সিবিআই (CBI) জালে ফিরহাদ হাকিম। একই মামলায় আটক শোভন চট্টোপাধ্যায় (Shovon Chatterjee) , মদন মিত্র, সুব্রত মুখোপাধ্যায়। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার এই আচরণে যারপরনাই ক্ষুব্ধ তৃণমূল। তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন বিধানসভার অধ্যক্ষ বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়ও। তৃণমূল সাংসদ সৌগত রায় (Sougata Roy) বলেন, ”এটা প্রতিহিংসামূলক গ্রেফতার।
রাজ্যপালের চার্জশিটে (chargesheet) অনুমতি দেওয়া ঠিক হয়নি। আমরা আদালতে লড়াই করব।” বিধানসভার অধ্যক্ষ বিমান বন্দ্যোপাধ্যায় (Biman Banerjee) আবার এই ইস্যুতে রাজ্যপাল জগদীপ ধনকড়কে নিশানা করেছেন। তাঁর কথায়, ”আমার কাছে সিবিআই এই গ্রেফতারের বিষয়ে কোনও চিঠি দেয়নি। অনুমতি নেয়নি। রাজ্যপাল কী করে এটা করলেন? কী করে অনুমতি দিলেন? এটা বেআইনি কাজ।”
সোমবার সকালে কলকাতার চেতলার বাড়ি থেকে গ্রেফতার করা হয় রাজ্যের মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিমকে। নারদকাণ্ডে তাঁকে গ্রেফতার করে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। আদালতেই আইনি পথে সিবিআইয়ের মোকাবিলা করবেন বলে জানিয়েছেন ফিরহাদ (Firhad Hakim) । উল্টোদিকে এই একই মামলায় আজ নিজাম প্যালেসে নিয়ে যাওয়া হয়েছে রাজ্যের সুব্রত মুখোপাধ্যায়, শোভন চট্টোপাধ্যায় ও মদন মিত্রকে।
সিবিআই সূত্রের খবর, আজই এই চারজনের বিরুদ্ধে ব্যাঙ্কশাসল আদালতে চার্জশিট জমা দেবে সিবিআই। সূত্রের খবর, এই চারজনকেই গ্রেফতার করা হয়েছে। তবে সিবিআইয়ের তরফে এখনও এব্যাপারে স্পষ্ট করে কিছু জানানো হয়নি।
তবে নারদাকাণ্ডে সিবিআইয়ের এই তত্পরতা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। একই মামলায় নাম রয়েছে বিজেপি নেতা মুকুল রায় ও শুভেন্দু অধিকারীরও। তাঁদের বিরুদ্ধে কেন ব্যবস্থা নয়? প্রশ্ন তুলেছে রাজ্যের শাসকদল তৃণমূল। নারদ মামলায় নাম রয়েছে আইপিএস অফিসার এসএমএইচ মির্জারও। নাম রয়েছে বিজেপির যুব নেতা শঙ্কুদেব পণ্ডারও। সিবিআই রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত হয়ে এই তত্পরতা নিয়েছে বলে অভিযোগ রাজ্যের শাসকদলের।
জানা গিয়েছে, এদিন রাজ্যপালের অনুমতি নিয়ে প্রথমে ফিরহাদ হাকিমকে গ্রেফতার করে সিবিআই। এমনকী সুব্রত মুখোপাধ্যায়, মদন মিত্র, শোভন চট্টোপাধ্যায়দের আটক করা নিয়েও রাজ্যপাল জগদীপ ধনকড়ের সম্মতি নিয়েছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। তারপরেই চারজনকে নিয়ে যাওয়া হয় নিজাম প্যালেসে। সেখানে চারজনকেই অ্যারেস্ট মেমোতে সই করানো হয়েছে বলে সিবিআই সূত্রে খবর।
বিধানসভার অধ্যক্ষ বিমান বন্দ্যোপাধ্যায় আবার এই ইস্যুতে রাজ্যপাল জগদীপ ধনকড়কে নিশানা করেছেন। তাঁর কথায়, ”আমার কাছে সিবিআই এই গ্রেফতারের বিষয়ে কোনও চিঠি দেয়নি। অনুমতি নেয়নি। রাজ্যপাল কী করে এটা করলেন? কী করে অনুমতি দিলেন? এটা বেআইনি কাজ।”
সূত্র : কলকাতা ২৪*৭



