জাতীয়

কোভিড যুদ্ধে জেলা প্রশাসনকে ‘ফিল্ড কমান্ডার’ বলে সন্মোধন প্রধানমন্ত্রীর

কোভিড যুদ্ধে জেলা প্রশাসনকে ‘ফিল্ড কমান্ডার’ বলে সন্মোধন প্রধানমন্ত্রীর - West Bengal News 24

করোনাভাইরাসের বিরুদ্ধে যুদ্ধে জেলা শাসকরা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী দেশের সমস্ত জেলা শাসকদের সঙ্গে ভার্চুয়াল বৈঠকে একথা বলেছেন। তিনি জেলা শাসকদের ফিল্ড কমান্ডারের তকমা দিয়ে বলেছেন, দেশের প্রতিটি জেলায় আলাদা আলাদা চ্যালেঞ্জ রয়েছে। যাঁরা যেখানে কাজ করেন তাঁরা সেখানের পরিস্থিতি সম্পর্কে ওয়াকিবহাল থাকেন। আগামী দিনে করোনা যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত থাকার কথাও বলেছেন তিনি। তিনি বলেন জেলা শাসকরাই একদম তৃণমূল স্তরে করোনা বিরুদ্ধে লড়াই করছে। নিজের জেলা জেলা শসাকরাই শক্তিশালী রণনীতি তৈরি করতে পারেন বলেও জানিয়েছেন নরেন্দ্র মোদী।

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী বলেন করোনা যুদ্ধে জেলা শাসকদের অবদান ভুলে যাওয়ার মত নয়। অনেক জেলা শাসক রয়েছেন যাঁরা করোনাকালে দিনের পর দিন বাড়ি যেতে পারেননি। পরিবার পরিজনের থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে থাকছেন। অনেকেই আবার প্রিয়জনদের হারিয়েও করোনা যুদ্ধে ইতি টানতে দেননি। মহামারিকালে অনেক জেলা শাসকের কাজে তিনি অভিভূত হলেও জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর কথায় অনেক জেলা শাসক করোনাকালে একাধিক নতুন ব্যবস্থা চালু করেছেন। যা আগামী দিনে দেশেরও কাজে লাগবে। তিনি বলেন করোনার বিরুদ্ধে গোটা দেশ লড়াই করছে। মৃত্যু বন্ধ করা আর সংক্রমণ রুখে দেওয়াই দেশবাসী প্রধান উদ্দেশ্য।

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী বলেন কোনও জেলা শাসকের নেতৃত্বে একটি জেলা যখন করোনা মুক্ত হয় তখন দেশও সেই যুদ্ধে জয়ী হয়। তিনি বলেন গ্রামের এখনও লকডাউন নেই। কিন্তু তারপরেও দেখা যাচ্ছে এমন অনেক গ্রাম রয়েছে যেখানে কৃষিজীবি মানুষ কাজ করছেন। কিন্তু তাঁরা নিরাপদ শারীরিক দূরত্ব মেনে করোনা প্রোটোকল মেনেই কাজ করছেন। করোনার বিরুদ্ধে ভারতের যুদ্ধে প্রধান হাতিয়ার হল দেশের মানুষ। তিনি আরও বলেন কোনও জেলা শাসক যদি নিজের মত করে জেলা সামতালে চান তাহলে তাঁর জন্য সম্পূর্ণ ছাড় রয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী বলেন বর্তমান পরিস্থিতিতে গ্রাম ও শহর-দুটি ক্ষেত্রকেই করোনা যুদ্ধে জোর দিতে হবে। তিনি বলেন শহরের পাশাপাশি গ্রামীণ এলাকায় চিকিত্‍সার সুবিধে বাড়িতে তোলা মূল লক্ষ্য। হোম আইসোলেশনে থাকা ব্যক্তিদের খোঁজ খবর নেওয়ার কথাও বলেন তিনি। আর এই লড়াই শুরু করতে হবে তৃণমূল স্তর থেকেই। অক্সিজেনের সমস্যা মেটাতে কেন্দ্রীয় সরকার একাধিক পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। তিনি আরও বলেন, ভ্যাকসিন ও ওষুধের যোগান স্বাভাবিক করারও চেষ্টা করা হয়েছে। তিনি বলেন এই সময় ওষুধের পাশাপাশি নিত্য প্রয়োজনীয় সামগ্রীর সরবরাহ যাতে স্বাভাবিক থাকে তার দিকেও জনর দিতে হবে জেলা শাসকদের।

সূত্র : এশিয়া নেট

আরও পড়ুন ::

Back to top button