
ভাঙড়ে দুই আইএসএস কর্মীর অস্বাভাবিক মৃত্যুর পর ক্যানিংয়ে তৃণমূল নেতার ওপর হামলা। ঘটনায় অভিযুক্ত আইএসএফ। ইটখোলা গ্রামের তৃণমূল উপপ্রধানের ওপর রড-বাঁশ-লাঠি নিয়ে হামলা চালায় আব্বাস সিদ্দিকীর দলের কর্মীরা। মোট ৭ জন কর্মী আহত হয়েছেন তৃণমূলের। প্রত্যেককে ক্যানিং মহকুমা হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়েছে। পুলিশ অভিযুক্তদের খোঁজ শুরু করেছে।
তৃণমূল সূত্রে খবর, রবিবার বুধখালি গ্রামপঞ্চায়েতের তৃণমূল উপপ্রধান খতিব সরদার ও তার অনুগামীরা ম্যানগ্রোভ প্ল্যান্টেশনের জন্য জমি চিহ্নিত করতে যাচ্ছিলেন। অভিযোগ এমন সময় রাস্তাতেই ২০ থেকে ২৫ জনের একটি দুষ্কৃতীর দল লোহার রড, বাঁশ, লাঠি নিয়ে মারধর করা হয় তাদের। আক্রান্ত উপপ্রধানের অভিযোগ, ‘আইএসএফ-এর কর্মীরা হামলা করেছে। আমার মাথায় লাঠি দিয়ে মেরেছে।’ এলাকার বিধায়ক পরেশরাম দাসেরও একই অভিযোগ। দোষীরা উপযুক্ত শাস্তি পাবে বলে আশ্বাস তাঁর।
ধর্মতলা থেকে ভাঙড়ের আইএফএফ বিধায়ক নওশাদ সিদ্দিকীকে শনিবার গ্রেফতার করা হয়। এরপরই রবিবার ভোরে ভাঙড়ের বুকে জোড়া খুনের অভিযোগ। জানা গিয়েছে, নিহতেরা হল রবিউল ইসলাম খান এবং লাল্টু মোল্লা। এদের খুন করার অভিযোগ উঠেছে নেত্তাউদ্দিন খান ও তার দলবলের বিরুদ্ধে। এরা প্রত্যেকেই কাশীপুর এলাকারই বাসিন্দা। নিহত দুই যুবক আবার নেত্তাউদ্দিনের সঙ্গেই ঘোরাঘুরি করত। একসঙ্গে বসে মদ খাওয়া থেকে যাবতীয় ফূর্তির আয়োজনও করত। পাশাপাশি আইএসএফের হয়ে কাজও করত।
নিহতদের পরিবারের দাবি এদিন ভোর বেলায় রবিউল ও লাল্টুকে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে যায় নেত্তাউদ্দিনের লোকেরা। এরপর বাড়ি থেকে কিছুটা দূরে একটি ফাঁকা জায়গায় ধারালো অস্ত্র দিয়ে তাঁদের কুপিয়ে খুন করা হয়। তারপরই ক্যানিংয়ে তৃণমূল নেতাদের ওপর হামলা অভিযোগ উঠল আইএসএফের বিরুদ্ধে।
সূত্র: এই মুহুর্তে



