রাজনীতি

‘বিজেপি ভাল কাজ করলে ভয় কীসের?’ প্রশ্ন ব্রাত্য বসুর

Bratya Basu : ‘বিজেপি ভাল কাজ করলে ভয় কীসের?’ প্রশ্ন ব্রাত্য বসুর - West Bengal News 24

সারা রাজ্যের পাশাপাশি এবার দেশের বেশ কিছু রাজ্যেও পালিত হবে ‘খেলা হবে’ দিবস। তার মধ্যে এবার অন্যতম হল ত্রিপুরা।

ত্রিপুরায় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের কনভয়ের উপর হামলার পর ত্রিপুরার আমবাসায় আক্রান্ত হয়েছেন তৃণমূল যুব নেতা-নেত্রী।

তারপরই দলের নেতা নেত্রীদের ত্রিপুরায় যাওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে তৃণমূলের তরফে। এরপরই ১৬ই অগাস্ট ‘খেলা হবে’ দিবসের দিন ত্রিপুরায় হাজির থাকতে হবে দলের সব সাংসদদের, নির্দেশ দেওয়া হয়েছে শাসক দলের তরফে।

সেই মত আজ প্রথমে চারজন জানা গেলেও মোট আটজন তৃণমূল সাংসদ আজ ত্রিপুরায় পা রাখেন। এরা হলেন, কাকলি ঘোষ দস্তিদার, দোলা সেন, অর্পিতা ঘোষ, প্রতিমা মন্ডল, অপরুপা পোদ্দার, প্রসূন বন্দ্যোপাধ্য্যায়, আবীর বিশ্বাস ও আবু তাহের। এর পাশাপাশি ত্রিপুরা পৌঁছান মন্ত্রী ব্রাত্য বসুও। পাশাপাশি ইতিমধ্যেই ত্রিপুরায় রয়েছেন মন্ত্রী মলয় ঘটক ও সাংসদ শান্তনু সেন।

আজ ত্রিপুরা যাবার আগে বিমানবন্দরে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন ব্রাত্য বসু। তিনি বলেন, ‘যেভাবে ত্রিপুরা সরকার প্রতিহিংসা পরায়ণ আচরণ করছে। দিশেহারা বোধ করে নিরাপত্তা হীনতায় ভুগে ভয় পেয়ে তৃণমূল কংগ্রেস দলকে যেভাবে ওরা ভয় পাচ্ছে, এবং অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঘন ঘন যাওয়ার ফলে ওরা যেভাবে বিপন্ন বোধ করছেন, তার ফলে একটার পর একটা প্রশাসনিক যে ভুল পদক্ষেপ নিচ্ছে প্রতিহিংসার রাজনীতি করছে এই রাজনীতি করা ঠিক নয়।

আমরা তৃণমূল কংগ্রেসতো ওখানে সংগঠন বিস্তার করতে চাইছি আপনারা যদি ভালো কাজ করে থাকেন, আপনাদের ভয় পাওয়ার কী আছে ভাই ? তার মানে কোথাও বুঝতে পারছেন ত্রিপুরার জনগণ বিজেপিকে চাইছে না। চাইছে বিকল্প এবং সেই বিকল্প বাম নয় রাম নয় একমাত্র মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দল সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেস’ বলে ত্রিপুরা নিয়ে পরিস্কার করে দেন ব্রাত্য বসু।

এর পাশাপাশি ত্রিপুরা বাম দল নিয়ে ব্রাত্য বসুর মন্তব্য, ‘পশ্চিমবঙ্গের বামের থেকে ত্রিপুরা বামেদের একটা চারিত্রগত পার্থক্য আছে। ওরা যেহেতু ওখানে মাটিতে বসবাস করেন ফলে ওখানকার বামেরা বুঝতে পারছেন যে একমাত্র মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দলই ওখানে লড়তে পারে। এবং সেখানে ওরা আমাদের সহায়তা করতে চাইলে এবং কোনো নেতা আমাদের সঙ্গে চলে আসতে চাইলে আসতে পারেন।

কিন্তু পশ্চিমবঙ্গের বামেদের সঙ্গে ত্রিপুরা বামেদের মৌল পার্থক্য হচ্ছে এই যে ওখানকার নেতারা অনেক বেশি বাস্তব সচেতন এবং ওখানে ওরা বুঝতে পারছে, ওখানে যদি কেউ বিকল্প হতে পারে তাহলে সেটা সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেস’ বলে মন্তব্য করেন শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু। এইভাবেই ব্রাত্য বসু বুঝিয়ে দেন যত‌ই পুলিশি জুলুম হোক, কেস হোক, গ্রেফতারির ভয় দেখানো হোক, ত্রিপুরা নিয়ে এক পা ও পিছু হটতে রাজি নয় তৃণমূল কংগ্রেস। তিনি আরও জানান, আইনি পথেই তাঁরাও মোকাবিলা করবেন।

সুত্র : প্রথম কলকাতা

আরও পড়ুন ::

Back to top button