রাজ্য

অগ্নিদগ্ধ ভবনে বেআইনি নির্মাণের অভিযোগ, তদন্তে নড়েচড়ে বসেছে পুরসভা

ওয়েস্ট বেঙ্গল নিউজ ২৪

Firhad Hakim : অগ্নিদগ্ধ ভবনে বেআইনি নির্মাণের অভিযোগ, তদন্তে নড়েচড়ে বসেছে পুরসভা - West Bengal News 24

এজরা স্ট্রিটে আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত সেই বহুতলে অবৈধ নির্মাণের অভিযোগ ফের সামনে এসেছে। ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি খতিয়ে দেখেন কলকাতার মেয়র ফিরহাদ হাকিম ও দমকলমন্ত্রী সুজিত বসু। অগ্নিকাণ্ডের পর ওই ভবনের অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থার ত্রুটি নিয়েই আবারও প্রশ্ন উঠছে। অভিযোগগুলি যাচাই করে আগামী সপ্তাহে বৈঠক ডাকার কথা জানিয়েছেন মেয়র।

ঘটনাস্থল পরিদর্শনের পর মেয়র ফিরহাদ হাকিম বলেন, “ওই বহুতলে বহু বৈদ্য়ুতিন তার অগোছালোভাবে দেখা গিয়েছে। আমি সিইএসসি, দমকল, ব্যবসায়ী সমিতি, পুরসভা, পুলিশকে নিয়ে বৈঠক করব। যাতে বড়বাজারে যাঁরা ব্যবসা করেন, তাঁরা সুষ্ঠুভাবে করতে পারেন। যাতে দমকল আসতে অসুবিধা না হয়, তা দেখার দায়িত্ব সকলের।”

স্থানীয়দের দাবি, অগ্নিদগ্ধ এই ভবন বহু বছরের পুরনো। কাউন্সিলর সন্তোষ পাঠকের অভিযোগ, “এটা ঘিঞ্জি এলাকা। ২২ বার আগুন লেগেছে। আগুন লাগার ঝুঁকি নিয়ে বহুবার দমকল, পুলিশ কমিশনারকে লিখেছি। কাকে বলিনি? কারও টনক নড়েনি। কাগজ আমার কাছে আছে। কিছুই ঠিকঠাক হয়নি।”

তবে মেয়র ফিরহাদ হাকিম এই অভিযোগকে গুরুত্ব দিতে নারাজ। তাঁর মতে, অবৈধ নির্মাণ সত্যিই হয়েছে কি না, তা পুরসভার বিল্ডিং বিভাগ পরীক্ষা না করা পর্যন্ত স্পষ্টভাবে বলা সম্ভব নয়। মেয়রের কথায়, “হতে পারে বেআইনি, আমি চ্যালেঞ্জ করছি না। এত বড় বাড়িতে কে কী করছেন, তা জানা যায় না। যখন এগুলো হয়, তখন কেউ জানাননি। একশো-দেড়শো বছরের পুরনো বাড়ি। তাই কতটা আইনি, কতটা বেআইনি নির্মাণ তা এখনই বলতে পারব না। আগে বিল্ডিং বিভাগের লোকজনেরা আসবেন, তবেই বলতে পারব।” তিনি আরও জানান, প্রমাণ মিললে অবৈধ অংশ ভেঙে দেওয়া হবে।

আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীদের পাশে দাঁড়ানোর বিষয়ে মেয়র জানান, ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ ব্যবসায়ী সমিতির সঙ্গে আলোচনা করে দেখা হবে, তারপরই প্রয়োজনমতো ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কীভাবে এমন ঘিঞ্জি এলাকায় আগুনের সূত্রপাত হল, সে বিষয়ে এখনও নিশ্চিত কিছু জানা যায়নি। দমকলমন্ত্রী সুজিত বসু বলেন, “কী থেকে আগুন, তা ফরেনসিক না হওয়া পর্যন্ত বলতে পারব না।”

তিনি ব্যবসায়ীদের অনুরোধ করেন, “ব্যবসা করুন, সবরকম সহযোগিতা করবে রাজ্য সরকার। অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা ঠিকমতো রাখুন।”

সাম্প্রতিক সময়ে কলকাতায় একের পর এক অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা বেড়ে যাওয়ায় ফায়ার অডিটে বিশেষ নজর দেওয়া হলেও এজরা স্ট্রিটের মতো ঘিঞ্জি এলাকার এ ধরনের ঘটনা নিয়ে স্বাভাবিকভাবেই উদ্বেগ বাড়ছে।

আরও পড়ুন ::

Back to top button

দয়া করে ওয়েবসাইটে বিজ্ঞাপনের অনুমতি দিন

দেখে মনে হচ্ছে আপনি কোনও বিজ্ঞাপন ব্লকার ব্যবহার করছেন। আমরা বিজ্ঞাপনের উপর ভরসা করি ওয়েবসাইটের ফান্ডের জন্য