জাতীয়

দেশে আকাশ ছোঁয়া করোনা ঢেউ এর মাঝোই আক্রান্তের সংখ্যা কমার দাবি কেমব্রিজের

দেশে আকাশ ছোঁয়া করোনা ঢেউ এর মাঝোই আক্রান্তের সংখ্যা কমার দাবি কেমব্রিজের - West Bengal News 24

ভারতে গত দু’দিন ধরে আক্রান্তের সংখ্যা কিছুটা কমেছে। এই অবস্থায় দেশের সার্বিক ছবিতে আশার কথা শোনালেন ‘কেমব্রিজ জাজ বিজনেস স্কুল’ এবং ‘ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব ইকনমিক অ্যান্ড সোশ্যাল রিসার্চ’এর গবেষকরা। তাঁদের দাবি, ভারতে করোনার দ্বিতীয় ঢেউ শিখর ছুঁয়ে ফেলেছে।

দেশে সংক্রমণের গতিপ্রকৃতি পর্যালোচনা করে আগামী দিনে কী হতে পারে তার একটা ধারণা দিয়েছেন গবেষকরা। সেখানে দেখা যাচ্ছে, গত ৭ মে ভারতে দৈনিক আক্রান্তের সংখ্যা ছিল ৪ লক্ষ ১৪ হাজার ১৮৮। এই সংখ্যা আমেরিকার সর্বোচ্চ শিখরের তুলনায় ৩২ শতাংশ বেশি। তার পর থেকে ধীরে ধীরে আক্রান্তের সংখ্যা কমবে বলেই জানিয়েছেন গবেষকরা।

সার্বিক ছবিতে সংক্রমণ শিখর ছুঁলেও কয়েকটি রাজ্যে এখনও সংক্রমণ ঊর্ধ্বমুখী থাকবে বলেই জানিয়েছে গবেষণা। গবেষকরা রিপোর্টে বলেছেন, ‘অসম, হিমাচল প্রদেশ, তামিলনাড়ু, ত্রিপুরার মতো কিছু রাজ্যে সংক্রমণের হার আগামী দু’সপ্তাহেও ঊর্ধ্বমুখী থাকবে। তাই সার্বিক ছবিতে বদল হলেও কিছু রাজ্যে অন্য রকমের ছবি দেখা যাবে’।

সংক্রমণ শিখর ছুঁলেও করোনায় মৃত্যু ঊর্ধ্বমুখী হবে বলেই জানিয়েছেন গবেষকরা। তাঁদের দাবি, ভারতের বর্তমান স্বাস্থ্য পরিষেবা খুবই উদ্বেগজনক পরিস্থিতিতে রয়েছে। অক্সিজেন, আইসিইউ শয্যা, ওষুধের অভাব দেখা যাচ্ছে। ফলে মৃত্যুর সংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে। আগামী কয়েক দিনে মৃত্যু ৪ হাজারের আশপাশেই থাকবে বলে জানিয়েছেন তাঁরা।

অবশ্য ভারতে দ্বিতীয় ঢেউয়ে যে ভাইরাস সক্রিয় তার সংক্রমণ ক্ষমতা অনেক বেশি বলেই জানিয়েছেন কেমব্রিজের বিশেষজ্ঞরা। একই কথা বলেছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থাও। তারা জানিয়েছে, এই প্রজাতি অনেক দ্রুত ভাইরাস ছড়াতে সক্ষম। এমনকি করোনার টিকার মাধ্যমে যে অ্যান্টিবডি তৈরি হয় সেই অ্যান্টিবডিও অনেক সময় এই ভাইরাসকে রুখতে ব্যর্থ হয়। ফলে টিকা নেওয়ার পরেও অনেক বেশি মানুষ আক্রান্ত হচ্ছেন। চলতি সপ্তাহেই বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা এই বি.১.৬১৭ প্রজাতিকে ‘উদ্বেগজনক’ তকমা দিয়েছে।

সূত্র : সংবাদ সংস্থা

আরও পড়ুন ::

Back to top button