
মৌসুমি বায়ুর সঙ্গে সঙ্গেই রাজ্যে কার্যকরী ঘুর্ণিবর্ত। যার জেরে রাজ্য জুড়ে ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনাও রয়েছে। আজও কলকাতা সহ বিভিন্ন জেলায় বিক্ষিপ্তভাবে বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। গত কয়েকদিন বৃষ্টিপাতের ফলে গরম থেকে রেহাই পেয়েছিল রাজ্যবাসী। কিন্তু নতুন ঘূর্ণাবর্তের জেরে ফের বৃষ্টির ফলে সপ্তাহের শুরুতেই তাপমাত্রা কমার পূর্বাভাস দিয়েছে আলিপুর আবহাওয়া দফতর।
সোমবার শহরের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা থাকার কথা ২৯ ডিগ্রির কাছাকাছি। সর্বনিম্ন তাপমাত্রা থাকার কথা ২৬ ডিগ্রি। উল্লেখ্য, রবিবার কলকাতার গড় তাপমাত্রা ছিল ৩০.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস। যা স্বাভাবিকের তুলনায় তিন ডিগ্রি কম। এদিকে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ২৪.৬ ডিগ্রি। যা স্বাভাবিকের চেয়ে দু’ ডিগ্রি কম। ওইদিন শহরে গড়ে বৃষ্টিপাত হয়েছে ১২ মিলিমিটার। তবে আর্দ্রতার কারণে অস্বস্তিভাব কিছুটা হলেও ছিল। গতকাল বাতাসে আর্দ্রতার সর্বোচ্চ পরিমাণ ছিল ৯৬ এবং সর্বনিম্ন আর্দ্রতা ছিল ৮৯ শতাংশ।
সোমবার সকাল থেকেই মেঘলা আকাশ ফলে গুমোট পরিবেশ। বেশ কয়েক জায়গায় বিক্ষিপ্তভাবে বৃষ্টিও হয়েছে। আলিপুর আবহাওয়া দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, আজও উত্তর এবং দক্ষিণ দুই বঙ্গেই ভারী বৃষ্টিপাত হতে পারে। পাশাপাশি মিলেছে বজ্রপাতের পূর্বাভাস। জানা গিয়েছে, আগামী ছয়দিন একই রকম আবহাওয়া থাকবে।
হাওয়া অফিস সূত্রের খবর, জোড়া ঘূর্ণাবর্ত এবং মৌসুমি বায়ু, এই দুইয়ের প্রভাবে রাজ্যজুড়ে চলছে বৃষ্টিপাত। আপাতত একটি ঘূর্ণাবর্ত উত্তরপ্রদেশে রয়েছে। অন্যদিকে পঞ্জাব থেকে একটি নিম্নচাপ অক্ষরেখা বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত বিস্তৃত। গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গের উপর দিয়ে গিয়েছে সেটি। এদিকে, বাংলাদেশের গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গের উপর রয়েছে আরও একটি ঘূর্ণাবর্ত। ফলে বাড়ছে বৃষ্টিপাত।
উল্লেখ্য, বৃহস্পতিবার পর্যন্ত উত্তরবঙ্গের দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি, কালিম্পং, আলিপুরদুয়ার. কোচবিহার, উত্তর দিনাজপুর, দক্ষিণ দিনাজপুর এবং মালদাতে বৃষ্টিপাতের পূর্বাভাস দিয়েছে হাওয়া অফিস। একই সঙ্গে দক্ষিণবঙ্গের উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা, পূর্ব মেদিনীপুর, হাওড়া, কলকাতা, হুগলি, পুরুলিয়া, ঝাড়গ্রাম, পশ্চিম মেদিনীপুর, বাঁকুড়া, পূর্ব এবং পশ্চিম বর্ধমান, মুর্শিদাবাদেও প্রবল বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে।
সূত্র : এই মুহুর্তে



