
ভারতের সঙ্গে গালওয়ান সংঘর্ষের পর ‘বোধোদয়’ হয়েছে চিনা সেনাবাহিনীর, এদিন এমনটাই মন্তব্য করলেন ভারতের চিফ ডিফেন্স স্টাফ জেনারেল বিপিন রাওয়াত। তিনি বলেছেন, গত বছরেই চিন হাড়ে হাড়ে টের পেয়েছে যে তাঁদের সেনাবাহিনীকে আরও বেশি প্রশিক্ষণ দেওয়া প্রয়োজন। গত বছর কোভিড আবহেই পূর্ব লাদাখে লাইন অফ কন্ট্রোলে হামলা চালায় চিন। সাদা বরফের মাঝে সে সংঘর্ষ রক্ত ঝরিয়েছিল।
এদিন সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যম এএনআইকে বিপিন রাওয়াত বলেন, চিনা সেনাবাহিনীর যুদ্ধে খুব বেশি অভিজ্ঞতা নেই। সাধারণত কম সময়ের জন্য তাঁদের বাহিনীতে নেওয়া হয়। বিশেষত হিমালয়ের পার্বত্য এলাকায় চিনা বাহিনীর শক্তি যে একেবারেই কম তা গত বছরেই টের পেয়েছে বেজিং। তারা বুঝতে পেরেছে তাদের সেনাকে আরও প্রশিক্ষণ দেওয়া প্রয়োজন।
বিপিন রাওয়াতের কথায়, ‘সীমান্তে চিনা সেনাবাহিনী চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হয়েছে। বিশেষত ২০২০-র মে জুন মাস নাগাদ ভারতের সঙ্গে সংঘর্ষের পর তা আরও প্রকট হয়েছে। তাই তারা উপলব্ধি করেছে আরও বেশি প্রস্তুতি তাদের প্রয়োজন। তিনি আরও বলেছেন, চিনা সেনারা সাধারণ মানুষের মধ্যে থেকেই উঠে আসেন। তাঁদের কাজও করতে হয় কম সময়ের জন্য।
এই ধরনের পাহাড়ি এলাকায় কাজ করার জন্য তাদের না আছে অভিজ্ঞতা না আছে ট্রেনিং। সীমান্তে ভারতীয় সেনাবাহিনী নিরন্তর নজরদারি চালাচ্ছে বলেও জানিয়েছেন বিপিন রাওয়াত। চিনা বাহিনীর গতিবিধি খেয়াল রাখা হচ্ছে। তা থেকেই চিনা বাহিনীর প্রশিক্ষণ বিষয়ে জানতে পেরেছে ভারত। রাওয়াত বলেছেন সেনাদের প্রশিক্ষণে জোর দিয়েছে চিনা। ভবিষ্যতে তা আমাদের ক্ষেত্রে উদ্বেগের কারণ হতে পারে।
সুত্র : দ্য ওয়াল



