
ফের এক ধাক্কায় অনেকটা বেড়ে গেল করোনার দৈনিক সংক্রমণ। বেড়ে গেল মৃত্যুর সংখ্যাও। স্বাস্থ্য দফতরের তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় রাজ্যে নতুন করে করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ৮১৫ জন। গতকাল এই সংখ্যাটা ছিল ৬৬২। গত একদিনে মৃত্যু হয়েছে ১৪ জনের। তারমধ্যে ৪ জনই দার্জিলিংয়ের। অন্যদিকে করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ে দ্বিতীয় বার শহর কলকাতায় মৃতের সংখ্যা শূন্য হয়েছিল মঙ্গলবারই। এদিনও শহরে কারও করোনায় মৃত্যুর খবর মেলেনি। দৈনিক সংক্রমণে শীর্ষে ফের উত্তর ২৪ পরগনা।
রবিবারের তুলনায় রাজ্যে করোনার দৈনিক সংক্রমণ কমেছিল সোমবার। কিন্তু মঙ্গলবার ফের ঊর্ধ্বমুখী হয়েছিল গ্রাফ। বুধবার সেই গ্রাফ বজায় থাকল। রাজ্যের স্বাস্থ্য দফতরের পক্ষ থেকে প্রকাশিত করোনা বুলেটিনে জানানো হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে ৪৫ হাজার ১১২টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। তার মধ্যে ৮১৫ জনের শরীরে মারণ ভাইরাসের সংক্রমণ শনাক্ত হয়েছে। এ নিয়ে রাজ্যে মোট আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়াল ১৫ লক্ষ ২৫ হাজার ৭৭৩। নমুনা পরীক্ষার শনাক্তের হার দাঁড়িয়েছে ১ দশমিক ১৯ শতাংশে।
দৈনিক সংক্রমণের পাশাপাশি বাড়ল দৈনিক মৃত্যুও। স্বাস্থ্য দফতরের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুর কোলে নতুন করে ঢলে পড়েছেন ১৪ জন। গতকাল সংখ্যাটা ছিল ১০। এখনও পর্যন্ত রাজ্যে করোনার বলি হলেন ১৮ হাজার ১০৯ জন। মারণ ভাইরাসকে হারিয়ে নতুন করে সুস্থ হয়েছেন ৮১১ জন। মোট সুস্থ হলেন ১৪ লক্ষ ৯৬ হাজার ২৯৪ জন। সুস্থতার হার বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৯৮ দশমিক ০৭ শতাংশে। একদিনে সক্রিয় রোগীর সংখ্যা কমেছে মাত্র ১০। যার ফলে সক্রিয় করোনা রোগীর সংখ্যা কমে দাঁড়িয়েছে ১১ হাজার ৩৭০।
অন্যদিকে ফের টানা দু’দিন সর্বোচ্চ সংক্রমণের নিরিখে শীর্ষে উত্তর ২৪ পরগনা। শেষ ২৪ ঘণ্টায় ওই জেলায় নতুন করে ১১৪ জনের শরীরে মারণ ভাইরাসের সংক্রমণ ধরা পড়েছে। দ্বিতীয় স্থানে কলকাতা। শহরে আক্রান্ত হয়েছে ৮১ জন। তুলনায় এদিন অনেকটাই কমেছে দার্জিলিংয়ে আক্রান্তের সংখ্যা। সেখানে একদিনে ৬২ জন আক্রান্ত হয়েছেন। তবে এদিন সর্বোচ্চ মৃত্যু হয়েছে ৪ জনের। ২ জনের মৃত্যু হয়েছে কোচবিহারে। একজন করে মৃত্যু হয়েছে জলপাইগুড়ি, দক্ষিণ দিনাজপুর, নদিয়া, পশ্চিম মেদিনীপুর, পূর্ব বর্ধমান, হুগলি, উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনায়।
সুত্র : এই মুহুর্তে



