আন্তর্জাতিক

এবার ইমরান খানের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক অভিযোগ আনলেন মরিয়ম নওয়াজ

পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক অভিযোগ তুলেছেন পাকিস্তান মুসলিম লিগ-নওয়াজের ভাইস প্রেসিডেন্ট মরিয়াম নওয়াজ। ক্ষমতা ধরে রাখতে ইমরান খান বিপজ্জনক খেলা খেলেছেন বলে দাবি করেছেন তিনি। পাকিস্তানের সংবাদমাধ্যম ডন শুক্রবার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে।

মরিয়ন নওয়াজ তার ভেরিফাইড টুইটার অ্যাকাউন্ট থেকে দেওয়া টুইটে দাবি করেন, আজ আপনার (ইমরান) মিথ্যা ফাঁস হয়েছে। আপনি (ইমরান) ক্ষমতা আঁকড়ে ধরার জন্য একটি বিপজ্জনক খেলা খেলেছেন। ষড়যন্ত্র তত্ত্বের জন্য এনএসসির মতো গুরুত্বপূর্ণ ফোরাম ব্যবহার করা হয়েছিল। যেসব দাবি কখনো করা হয়নি তার ওপর ভিত্তি করে ভুয়া স্লোগান দেওয়া হয়েছিল।

তিনি হুশিয়ারি দিয়ে বলেন, ইমরান খানকে ‘তার প্রতিটি মিথ্যা’ এবং ‘শুধু ক্ষমতার স্বার্থে (দেশের) জাতীয় নিরাপত্তা নিয়ে খেলার নিন্দনীয় প্রচেষ্টার জন্য জবাবদিহি করা উচিত।

ইমরান খানের প্রতি তিনি আরও বলেন, সাহস দেখিয়ে এর মুখোমুখি হোন। প্রতিবারের মতো পালিয়ে যাবেন না। কারণ এবার জাতি আপনাকে পালাতে দেবে না।

এদিকে, ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর বুধবার প্রথম জনসভা করেছেন পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান। পেশওয়ারের তার দলের কর্মী সমথর্কদের সেই জনসভায় তিনি বলেন, আমি যখন সরকারে ছিলাম তখন ভয়ংকর ছিলাম না। কিন্তু এখন আমি ভয়ংকর।

কর্মী-সমর্থকদের সভায় এই ভাষণ দিলেও আসলে তার এই বার্তা ছিল বিরোধীদের উদ্দেশে। সভায় ইমরান আবারও ‘বিদেশি মদতে’ তার সরকার পতনের অভিযোগ করেন।

তিনি আরও বলেন, আমার ২৫ বছরের রাজনৈতিক জীবনে কখনো আদালত অবমাননা করিনি, দীর্ঘ খেলোয়াড়ি জীবনে কখনও কেউ ম্যাচ ফিক্সিংয়ের অভিযোগ তুলতে পারেনি।

আমি সব সময় আদালতের সম্মান অক্ষুন্ন রাখতে চেয়েছি, কারণ এদেশে জন্মেছি, এদেশেই মরতে চাই। দেশের বিচার ব্যবস্থাকে তাই আমি কখনও অন্যকে হয়রানি করার হাতিয়ার বানাইনি।

প্রসঙ্গত, পাকিস্তানের পার্লামেন্টে ইমরান খানের বিরুদ্ধে বিরোধীদের আনা অনাস্থা ভোট ডেপুটি স্পিকার নাকচ করে দেয়ার পর দেশটির আদালত থেকে পার্লামেন্ট পুর্নবহাল করে অনাস্থা ভোট গ্রহণের নির্দেশ এসেছিল। শনিবার অনেক নাটকীয়তার পর অনাস্থা ভোটে হেরে প্রধানমন্ত্রীর পদ হারিয়েছিলেন তিনি।

শনিবার মধ্যরাতে ইসলামাবাদ হাইকোর্ট খোলা হয় এবং সেখানকার প্রধান বিচারপতি আতহার মিনাল্লাহর কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ডেকে পাঠান।

আরও পড়ুন ::

Back to top button