জাতীয়

”ভাঙবেন পরে , আগে ক্ষতিপূরণ” – সরকারের বিরুদ্ধে গর্জে উঠলেন জোশীমঠের বাসিন্দারা

ওয়েস্ট বেঙ্গল নিউজ ২৪

Joshimath Latest News : ”ভাঙবেন পরে , আগে ক্ষতিপূরণ” – সরকারের বিরুদ্ধে গর্জে উঠলেন জোশীমঠের বাসিন্দারা - West Bengal News 24

আতঙ্কের মধ্যেই স্থানীয়দের বিক্ষোভে উত্তাল উত্তরাখণ্ডের (Uttakhand) জোশীমঠ। একাধিক বাড়ি, হোটেলে ফাটল দেখা গিয়েছে। এই পরিস্থিতিতে বেশ কিছু বাড়ি ও হোটেল ভাঙার সিদ্ধান্ত নিয়েছে উত্তরাখণ্ড প্রশাসন (Administration Of Uttarakhand)। সরকারের এই সিদ্ধান্তের বিরোধিতা জানিয়ে মঙ্গলবার প্রতিবাদ জোশীমঠের বাসিন্দাদের। পথে নামেন মহিলারাও। আগে ক্ষতিপূরণ দেওয়া হোক, তার পর বিপজ্জনক বাড়ি ভাঙুন— এই দাবিই জানিয়েছেন তাঁরা।

মঙ্গলবার প্রশাসনের বিরুদ্ধে সরব হয়েছেন জোশীমঠের (Jashimath) বাসিন্দারা। ক্ষতিপূরণ না ঘোষণা করে কেন ঘরবাড়ি ও হোটেল ভাঙার সিদ্ধান্ত নিল সরকার, সে নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন তাঁরা। সূত্রের খবর , জোশীমঠের ২টি হোটেল ‘মাউন্ট ভিউ’ ও ‘মালারি ইন’ পরস্পরের গায়ে হেলে যাওয়ায় ভাঙার সিদ্ধান্ত প্রশাসনের। মঙ্গলবার এই ২টি হোটেল ভাঙার কাজ করতে তৎপর হয় প্রশাসন। হোটেল ভাঙার কথা প্রকাশ্যে আসতে বিরোধিতা করেন হোটেল মালিকরা।

‘মালারি ইন’ হোটেলের মালিক ঠাকুর সিংহ (Thakur Singh) বলেন, ‘‘সকালে সংবাদপত্র পড়ে এই খবর জানলাম। এসডিএম আমায় হোটেল ভাঙার কথা জানান। অনেক রক্ত, ঘাম ঝরিয়ে এই হোটেল তৈরি করেছিল। যদি এটা ভেঙে ফেলা হয়, কী হবে আমার ? আগে থেকে কোনও নোটিস (Notice) দেওয়া হয়নি। যদি আমার হোটেলকে বিপজ্জনক হিসাবে চিহ্নিত করা হয়, তা হলে ভাঙার আগে এককালীন ক্ষতিপূরণ দেওয়া উচিত ছিল।’’ এদিকে হোটেল গুলিতে বিদ্যুতের লাইন (Electric Connection) কেটে দেওয়া হয়েছে। যার জেরে অন্ধকারে ডুবেছে হোটেল সংলগ্ন এলাকার বাড়িগুলিও। প্রায় ৫০০টি বাড়িতে বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হয়েছে।

‘মালারি ইন’ হোটেলের মতোই বিপজ্জনক হিসাবে চিহ্নিত করা হয়েছে ‘মাউন্ট ভিউ’কে। ওই হোটেলের মালিক লালমণি সেমওয়াল (Lalmani Senwal) পিটিআইকে বলেছেন, ‘‘আমাদের অন্তত এককালীন ক্ষতিপূরণ দেওয়া হোক।’’ ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলির জন্য ক্ষতিপূরণের আবেদন জানিয়ে সুপ্রিম কোর্টে ,(Suprime Court) জনস্বার্থ মামলা দায়ের করা হয়েছে। জোশীমঠের বিপর্যয়ে সুপ্রিম কোর্ট যাতে হস্তক্ষেপ করে , জনস্বার্থ মামলায় সেই অনুরোধ জানানো হয়েছে। আগামী ১৬ জানুয়ারি এই মামলার পরবর্তী শুনানি।

আরও পড়ুন ::

Back to top button