উঃ ২৪ পরগনাটলিউড

তনয় শাস্ত্রীর দায়ের করা এফআইআরে আপাতত স্থগিতাদেশ, হাই কোর্টে স্বস্তি পেলেন মিমি চক্রবর্তী

ওয়েস্ট বেঙ্গল নিউজ ২৪

তনয় শাস্ত্রীর দায়ের করা এফআইআরে আপাতত স্থগিতাদেশ, হাই কোর্টে স্বস্তি পেলেন মিমি চক্রবর্তী - West Bengal News 24

বনগাঁর একটি সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানকে ঘিরে তৈরি হওয়া বিতর্কের ঘটনায় আপাতত স্বস্তি পেলেন প্রাক্তন তৃণমূল সাংসদ ও অভিনেত্রী মিমি চক্রবর্তী। বিজেপি নেতা তনয় শাস্ত্রীর দায়ের করা অভিযোগের ভিত্তিতে আইনি জটিলতার মুখে পড়লেও কলকাতা হাই কোর্টের হস্তক্ষেপে সাময়িক সুরক্ষা মিলেছে তাঁর। বিচারপতি কৌশিক চন্দের একক বেঞ্চ সংশ্লিষ্ট এফআইআরের উপর অন্তর্বর্তী স্থগিতাদেশ জারি করেছে। ফলে আপাতত অভিনেত্রীর বিরুদ্ধে কোনও কঠোর পদক্ষেপ করা যাবে না।

ঘটনার সূত্রপাত চলতি বছরের ২৫ জানুয়ারি। বনগাঁর নয়াগোপালগঞ্জ যুবক সংঘের উদ্যোগে আয়োজিত এক বার্ষিক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে আমন্ত্রিত ছিলেন মিমি চক্রবর্তী। আয়োজকদের দাবি, রাত সাড়ে ১০টা নাগাদ তাঁর মঞ্চে ওঠার কথা থাকলেও তিনি প্রায় এক ঘণ্টা দেরিতে অনুষ্ঠানে পৌঁছন। শেষ পর্যন্ত মঞ্চে উঠতে উঠতে রাত প্রায় পৌনে ১২টা বেজে যায়। যেহেতু প্রশাসনের অনুমতি ছিল রাত ১২টা পর্যন্ত, তাই নির্ধারিত সময়সীমা মেনে অনুষ্ঠান বন্ধ করতে হয়। সেই সময় অভিনেত্রীকে মঞ্চ থেকে নামিয়ে দেওয়া হয়েছিল বলে অভিযোগ ওঠে।

আরও পড়ুন :: উদ্ধারকাজ চলার মধ্যেই তারাতলায় পৌঁছলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী, নিলেন পরিস্থিতির খোঁজ

অন্যদিকে, ওই ঘটনায় মিমি চক্রবর্তীর সঙ্গে দুর্ব্যবহার ও হেনস্থার অভিযোগও সামনে আসে। বিষয়টি নিয়ে পুলিশের কাছে লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়। তদন্তে নেমে বনগাঁ থানার পুলিশ বিজেপি নেতা তনয় শাস্ত্রীকে আটক করতে গেলে বাধার মুখে পড়তে হয় বলে অভিযোগ। পুলিশকে কাজে বাধা দেওয়া এবং তাঁদের সঙ্গে অসহযোগিতার অভিযোগে তনয় শাস্ত্রী-সহ আরও দু’জনের বিরুদ্ধে পৃথক মামলা দায়ের হয়।

পরবর্তীতে অভিযুক্তদের আদালতে পেশ করা হলে বিচারক তাঁদের জেল হেফাজতের নির্দেশ দেন। নির্ধারিত মেয়াদ শেষে ফের আদালতে তোলা হলে মিমি চক্রবর্তীর দায়ের করা মামলায় তনয় শাস্ত্রী জামিন পান। তবে পুলিশকে বাধা দেওয়ার মামলায় সেদিন জামিন মেলেনি। পরে গত ১২ ফেব্রুয়ারি সেই মামলাতেও আদালত তাঁকে জামিন দেয়। এর ফলে জেল থেকে মুক্তি পান তনয়।

জেলমুক্তির পর তিনি পাল্টা আইনি লড়াই শুরু করেন। মিমি চক্রবর্তীর বিরুদ্ধে ২০ লক্ষ টাকার মানহানির মামলা দায়ের করেন তিনি। অভিযোগ করা হয়, একাধিকবার শুনানির তারিখ পড়লেও আদালতে হাজির হননি অভিনেত্রী। সেই প্রেক্ষিতে তনয়ের আইনজীবী তথা বিজেপি বিধায়ক তরুণজ্যোতি তিওয়ারি আদালতের কাছে মিমির বিরুদ্ধে চার্জ গঠনের আবেদন জানান।

এই পরিস্থিতির মধ্যেই আইনি সুরক্ষার আবেদন জানিয়ে কলকাতা হাই কোর্টের দ্বারস্থ হন মিমি চক্রবর্তী। সেই মামলার শুনানিতেই আপাতত তাঁর পক্ষে গুরুত্বপূর্ণ স্বস্তিদায়ক নির্দেশ দিয়েছে হাই কোর্ট।

আরও পড়ুন ::

Back to top button