⚡ ককরোচদের পথেই এবার ‘ই-২০ জনতা পার্টি’! গড়করির নীতির বিরুদ্ধে আন্দোলনে আপ 🔥
ওয়েস্ট বেঙ্গল নিউজ ২৪

নিট প্রশ্নফাঁসের প্রতিবাদে গড়ে ওঠা ককরোচ জনতা পার্টির আন্দোলন সফল হয়েছে। জনরোষের মুখে কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানকে পদত্যাগ করতে হয়েছে। সেই আন্দোলনের ধাঁচ অনুসরণ করেই এবার কেন্দ্রীয় সড়ক পরিবহণমন্ত্রী নীতীন গড়করির বিরুদ্ধে নতুন কর্মসূচির প্রস্তুতি শুরু হয়েছে। ইথানল মিশ্রিত পেট্রল নিয়ে সাধারণ মানুষের অসন্তোষকে সামনে রেখে আত্মপ্রকাশ করেছে ‘ই-২০ জনতা পার্টি’। সমাজমাধ্যমে দ্রুত জনপ্রিয়তা পাচ্ছে সংগঠনটি। পাশাপাশি ইথানল মিশ্রিত পেট্রলের বিরোধিতায় আগামী ১ আগস্ট থেকে পথে নামার ঘোষণা করেছে অরবিন্দ কেজরিওয়ালের আম আদমি পার্টি।
পেট্রলের সঙ্গে ২০ শতাংশ ইথানল মেশানোর কারণে গাড়ির বিভিন্ন যন্ত্রাংশ ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে এবং মাইলেজ কমে যাচ্ছে বলে দেশজুড়ে অভিযোগ উঠেছে। এর মধ্যেই ইথানল ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত গড়করির দুই পুত্র এবং সায়ান অ্যাগ্রো ইন্ডাস্ট্রিজের সম্পত্তি উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়ে যাওয়ার বিষয়টিও বিতর্কের কেন্দ্রে এসেছে।
আরও পড়ুন :: অরাজকতার প্রতিবাদে তেরঙ্গা হাতে বিজেপির মেগা মিছিল! ‘আরশোলা’দের বয়কটের ডাক দিয়ে উত্তপ্ত ধর্মতলা
এই পরিস্থিতির মধ্যেই সমাজমাধ্যমে আত্মপ্রকাশ করেছে ‘ই-২০ জনতা পার্টি’। সংগঠনটির আবির্ভাবের পর থেকেই তাদের জনপ্রিয়তা দ্রুত বাড়তে শুরু করেছে। এক্স হ্যান্ডেলে ইতিমধ্যেই তাদের অনুসরণকারীর সংখ্যা প্রায় ৪২ হাজার ৫০০-তে পৌঁছেছে। অল্প সময়ের মধ্যে ইনস্টাগ্রামেও সংগঠনটির অনুসরণকারী ১.২৫ লক্ষ ছাড়িয়েছে। প্রতি মুহূর্তেই এই সংখ্যা বাড়ছে। যদিও সংগঠনটির প্রতিষ্ঠাতা কে, তা এখনও স্পষ্টভাবে জানা যায়নি।
কেন্দ্রের ইথানল মিশ্রিত পেট্রল সংক্রান্ত নীতি প্রত্যাহারের দাবিতে সোমবার সরব হয়েছেন আপ প্রধান অরবিন্দ কেজরিওয়াল। সাংবাদিক বৈঠক করে তিনি বলেন, ”আমি সরকারের কাছে অনুরোধ করছি, এই সমস্যা বড় আকার নেওয়ার আগে সমাধান করা হোক। মানুষ খুব সমস্যায় পড়েছেন, মানুষের যানবাহন ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে, মাইলেজ কমে যাচ্ছে। প্রধানমন্ত্রীকে অনুরোধ অবিলম্বে পদক্ষেপ করুন।”
ই-২০ নীতির বিরোধিতায় আগামী ১ আগস্ট দিল্লির টাউনহলে একটি কর্মসূচির ডাক দিয়েছে আম আদমি পার্টি। কেজরির আশা, আগামী শনিবার টাউনহলের এই কর্মসূচিতে হাজার হাজার মানুষ যোগ দেবেন। দিল্লির বাইরে থাকা মানুষদেরও অনলাইনের মাধ্যমে কর্মসূচিতে অংশ নেওয়ার আবেদন জানানো হয়েছে। সব মিলিয়ে ই-২০ পেট্রলকে কেন্দ্র করে বড় আকারের আন্দোলনের প্রস্তুতি শুরু হয়েছে বলেই মনে করা হচ্ছে।



