জাতীয়

‘বিশ্বের দ্রুততম মানব ক্যালকুলেটর’ হিসেবে সীকৃতি পেলেন ভারতীয় যুবক

‘বিশ্বের দ্রুততম মানব ক্যালকুলেটর’ হিসেবে সীকৃতি পেলেন ভারতীয় যুবক - West Bengal News 24

এ যেন আর এক শকুন্তলা দেবী। হিসেব করেন ক্যালকুলেটরের থেকেও দ্রুত। ‌সেই অঙ্ক প্রতিযোগিতায় ১৩টি দেশের ২৯ জন প্রতিযোগীকে পিছনে ফেলে দিলেন। জিতে নিলেন ‘‌দ্রুততম মানব ক্যালকুলেটর’‌-এর তকমা। তিনি নীলকণ্ঠ ভানু প্রকাশ। দিল্লির সেন্ট স্টিফেন্স কলেজের ছাত্র।

১৫ আগস্ট লন্ডনে আয়োজিত হয় মাইন্ড স্পোর্টস অলিম্পিয়াড। সেখানে মেন্টাল ক্যালকুলেশন ওয়ার্ল্ড চ্যাম্পিয়নশিপে প্রথম হয়েছেন এই গণিতের ছাত্র। ৬৫ পয়েন্ট পেয়ে সোনার পদক জিতেছেন। জানালেন, ‘‌বিচারকরা আমার অঙ্ক করার গতি দেখে হতবাক।’‌

২০ বছরের ভানু আদতে হায়দরাবাদের বাসিন্দা। ইতিমধ্যেই চার-চারটি বিশ্ব রেকর্ড এবং ৫০টি লিমকা রেকর্ডের অধিকারী তিনি। এবার তাঁর সঙ্গে যোগ হল বিশ্বের দ্রুততম ক্যালকুলেটরের শিরোপা। সংবাদসংস্থা এএনআই-কে একটি সাক্ষাত্‍কারে নীলকান্ত বলেছেন, ‘‌আমার ব্রেন ক্যালকুলেটরের থেকেও দ্রুত কাজ করে।

[ আরও পড়ুন : দেশে শুরু হল অক্সফোর্ডের ভ্যাকসিন কোভিশিল্ডের দ্বিতীয় পর্যায়ের পরীক্ষামূলক প্রয়োগ ]

এক সময় এই রেকর্ড প্রখ্যাত দুই গণিতজ্ঞ স্কট ফ্ল্যানসবুর্গ এবং ভারতের শকুন্তলা দেবীর কাছে ছিল। সেই রেকর্ড ভাঙা সত্যিই জাতীয় গর্বের বিষয়। ভারতকে অঙ্কের দুনিয়ায় প্রতিষ্ঠিত করতে আমার যেটুকু সাধ্য তা করেছি।’‌

১৯৯৮ সালে প্রথম শুরু হয় মাইন্ড স্পোর্টস অলিম্পিয়াড। এ বছর করোনার কারণে অনলাইনে হয়েছে অঙ্কের প্রতিযোগিতা। এই প্রথম কোনও ভারতীয় সেখানে সোনার পদক পেলেন। ভানু প্রকাশের লক্ষ একটাই, শিশুদের কাছে অঙ্কটাকে সহজ করে তুলে ধরা। এর জন্য ‘‌ভিশন ম্যাথস ‌তৈরি করতে চান তিনি।

তাঁর কথায়, সরকারি স্কুলে যারা পড়ে, তাদের প্রতি চার জনের মধ্যে তিন জন অঙ্ককে ভয় পায়। বুঝতেই পারে না। আর এজন্য অনেকে স্কুলও ছেড়ে দেয়। তাদের ভয় দূর করতে চান তিনি। কোনও দেশের উন্নয়নের জন্য অঙ্কের সঠিক শিক্ষা খুবই জরুরি।

 

সুত্র: আজকাল.in

আরও পড়ুন ::

Back to top button

দয়া করে ওয়েবসাইটে বিজ্ঞাপনের অনুমতি দিন

দেখে মনে হচ্ছে আপনি কোনও বিজ্ঞাপন ব্লকার ব্যবহার করছেন। আমরা বিজ্ঞাপনের উপর ভরসা করি ওয়েবসাইটের ফান্ডের জন্য