কলকাতা

রাজভবনের সামনে মৃত্যুর ঘটনায় তদন্ত ও এফআইআরের নির্দেশ দিলেন ফিরহাদ হাকিম

রাজভবনের সামনে মৃত্যুর ঘটনায় তদন্ত ও এফআইআরের নির্দেশ দিলেন ফিরহাদ হাকিম - West Bengal News 24

ঝড় ও বৃষ্টির তান্ডবের মধ্যেই মঙ্গলবার বিকেলে রাজভবনের সামনে ‘বিদ্যুত্‍স্পৃষ্ট’ হয়ে মৃত্যু এক ব্যক্তির। রাত অবধি মৃত ব্যক্তির পরিচয় জানা না গেলেও পরে জানা যায় রাজভবনের সামনে ‘বিদ্যুত্‍স্পৃষ্ট’ হয়ে মৃত্যু হয়েছে ফরাক্কার তরুণ ইঞ্জিনিয়ার ঋষব মণ্ডলের। ইতিমধ্যেই এই ঘটনায় বিভাগীয় তদন্ত ও এফআইআরের নির্দেশ দিয়েছেন মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম। এখন আর আপাতত জল নেই রাজভবনের সামনে। মঙ্গলবার সন্ধ্যাতেই নেমে গিয়েছে রাস্তার জল।

বুধবার সকালে সেখানে দেখা যায় পড়ে রয়েছে একটা নীল ছাতা। যাঁরা মঙ্গলবার সন্ধ্যায় রাজভবনের সামনে ঋষভের নিথর দেহটা পড়ে থাকতে দেখেছিলেন, তাঁরা অবশ্যই চিনতে পারবেন সেই ছাতাটিকেও। ঝমঝমিয়ে বৃষ্টির মধ্যে ওই ছাতা মাথায় দিয়েই তাঁর অফিস থেকে বেরিয়েছিলেন ফরাক্কার ওই তরুণ ইঞ্জিনিয়ার।

গোটা ঘটনায় জানা যায়, মঙ্গলবার ওই ঝড় বৃষ্টির সময়ে এই মর্মান্তিক ঘটনাটি ঘটে রাজভবনের ঠিক নর্থ গেটের সামনে। ঠিক তার উল্টো দিকেই পশ্চিমবঙ্গ রেজিস্ট্রি অফিস। জানা যায়, ওই দফতরের সামনের ফুটপাতেই পড়ে ছিল ঋষভের নিথর দেহ। প্রত্যক্ষদর্শীদের কথাও জানা যায়, মঙ্গলবার বিকেলে ওখানে পাশেই একটি সরু গলি দিয়ে বেরিয়ে আসেন ঋষব। ফুটপাথের গা ঘেঁষেই হাঁটছিলেন তিনি। হঠাত্‍ই মাটিতে লুটিয়ে পড়েন ঋষভ।

মনে করা হচ্ছে, জলে পড়ে থাকা ওই তারেই তাঁর পা লেগে গিয়েছিল, আর তার জেরেই বিদ্যুত্‍স্পৃষ্ট হন ঋষব মণ্ডল। জানা যায়, যেখানে তিনি পড়ে যান, তার সামনেই একটি বৈদ্যুতিক খুঁটি ছিল।

তার গোড়ায় খোলা অবস্থায় ছিল বিদ্যুতের তার। এই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে ইতিমধ্যেই বিভাগীয় তদন্ত ও এফআইআরের নির্দেশ দিয়েছেন মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম। মন্ত্রী জানান, হুকিংয়ের জন্যই এই বিপত্তি ঘটেছে। স্থানীয়রা এই বিষয় জানান, যে স্থানে ঘটনাটি ঘটেছে, সেখানে একজন হকার বসতেন। তবে লকডাউনের জন্য দীর্ঘদিন ধরে তিনি বসছেন না। সম্ভবত তিনিই হুকিংয়ের জন্য তার ব্যবহার করেছিলেন, পরে তা গুটিয়ে ওখানে একটি বাক্সের মধ্যে রেখে দিয়েছিলেন। যা ঝড়ে জলে পড়ে যায়। মঙ্গলবার রাতে দুর্ঘটনার পর সেই তার গুটিয়ে রেখে যান দমকল কর্মীরা বলেও জানা যায়। যদিও, এই ঘটনায় দায় এড়িয়ে গিয়েছেন সিইএসই কর্তৃপক্ষ।

সূত্র : প্রথম কলকাতা

আরও পড়ুন ::

Back to top button