
২০২০ সালের মার্কিন ক্যাপিটালে দাঙ্গার সাক্ষী ছিল বিশ্বের মানুষ। এই দাঙ্গার পরেই একাধিক বিতর্কিত মন্তব্য করতে দেখা গিয়েছিল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি ডোনাল্ড ট্রাম্পকে (Donald Trump) । এই সমস্ত বিতর্কিত মন্তব্যের কারণে বন্ধ করা হয় ট্রাম্পের ফেসবুক অ্যাকাউন্টটি। আর সম্প্রতি এই অ্যাকাউন্ট বন্ধ থাকার বিষয়ে আরও এক নয়া সিদ্ধান্ত নিল ফেসবুক। শুক্রবার ফেসবুকের তরফে জানানো হয়েছে, ২০২৩ সালের জানুয়ারি পর্যন্ত বন্ধ রাখা হবে প্রাক্তন মার্কিন রাষ্ট্রপতির ফেসবুক (Facebook) অ্যাকাউন্টটি।
চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে ট্রাম্পের (Donald Trump) অ্যাকাউন্টের ওপর জারি করা হয়েছিল নিষেধাজ্ঞা । তবে সংস্থার তরফে জানানো হয়েছে, শর্তের অনুমতি পেলেই কেবলমাত্র তুলে নেওয়া হতে পারে জারি করা নিষেধাজ্ঞাটি।
ফেসবুকের (Facebook) তরফে বলা হয়েছে, গুরুতর কারণে বরখাস্ত করা হয়েছে প্রাক্তন মার্কিং রাষ্ট্রপতির (Donald Trump) অ্যাকাউন্টটি। ট্রাম্প সোশ্যাল মাধ্যমে থাকা একাধিক বিধি লঙ্ঘন করেছে। এর পাশাপাশি নতুন প্রয়োগকারী প্রোটোকলের আওতায় থাকা সর্বোচ্চ শাস্তির যোগ্যতাও অর্জন করেছে রিপাবলিকান পার্টির এই নেতা।
ট্রাম্পের (Donald Trump) অ্যাকাউন্ট বন্ধ করা নিয়ে ফেসবুককে অনেক সমালোচনার মুখে পড়তে হয়েছে। অনেকে সংস্থার জারি করা সেন্সারসিপকে বাজে কাজ বলে আখ্যায়িতও করেছেন। তবে এটা উল্লেখযোগ্য যে, ফেসবুকই প্রথম মাধ্যম যারা কোনও রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী বা রাষ্ট্রপ্রধানকে অবরুদ্ধ করেছিল।
অন্যদিকে ফেসবুকের (Facebook) বিরুদ্ধেও একাধিক অভিযোগ তির রয়েছে । সম্প্রতি ইউরোপ এবং ব্রিটেনের গ্রাহকদের তথ্যর অপব্যবহার করছে ফেসবুক বলে একটি অভিযোগ সামনে এসেছে। এই অভিযোগের কারণে ইতিমধ্যে সোশ্যাল জায়েন্টের বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু করা হয়েছে। যার ফল স্বরূপ সংস্থার এই নয়া সিদ্ধান্ত বলে মনে করছেন অনেকে।
বর্তমান সময়ে ফেসবুক (Facebook) থেকে টুইটারে রয়েছেন বিশ্বের একাধিক রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বরা। অনেক সময় তাদের নানা বিষয়ে বিতর্ক মূলক মন্তব্য করতেও দেখা গেছে। যার ফলে সমাজে একাধিকবার নানা সমস্যার সৃষ্টি হয়েছে। হিংসা থেকে বিদ্বেষ পর্যন্ত ছড়িয়েছে সেই সমস্ত পোস্টগুলি ঘিরে। আর এই কারণে সমস্ত সোশ্যাল মিডিয়া বিতর্কিত পোস্ট নিয়ন্ত্রনের জন্য একটি গাইডলাইন তৈরি করেছে, যা মেনে চলতে হবে বিশিষ্ট ব্যক্তি থেকে সাধারণ মানুষ সকলকে।
সুত্র : কলকাতা *৭



