
একাধিক রাজ্যের চাপে শেষপর্যন্ত পিছু হঠতে বাধ্য হল কেন্দ্র। শনিবার জিএসটি কাউন্সিলের বৈঠকে এবছর সেপ্টেম্বর পর্যন্ত করোনা চিকিত্সার ওষুধ ও প্রয়োজনীয় সামগ্রীর উপর থেকে জিএসটি দর কম করার সিদ্ধান্ত নিল কেন্দ্র। এদিন সাংবাদিক বৈঠক করে কেন্দ্রের হয়ে ঘোষণা করেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমণ।
এক নজরে দেখে নিন কী কী ঘোষণা করেছেন তিনি-
কোভিড টিকার উপর ৫ শতাংশ জিএসটি থাকছে।
৭৫ শতাংশ টিকা কিনবে কেন্দ্র। এই টিকার জিএসটি থেকে যে আয় হবে, সেটার ৭০ শতাংশ রাজ্যগুলিকে ভাগ করে দেবে কেন্দ্র।
করোনায় চিকিত্সায় ব্যবহৃত অ্যান্টি ভাইরাল ওষুধ রেমডেসিভির জিএসটি ১২ শতাংশ থেকে কমিয়ে ৫ শতাংশ করা হয়েছে।
হেপারিনের ক্ষেত্রেও ১২ শতাংশ থেকে কমিয়ে ৫ শতাংশ জিএসটি নেওয়া হবে।
কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রক যে যে ওষুধের অনুমোদন দেবে, তার উপর ৫ শতাংশ জিএসটি থাকবে।
ব্ল্যাক ফাঙ্গাস অর্থাত্ মিউকরমাইকোসিসের ওষুধ টসিলিজুমাব এবং অ্যাম্ফোটেরিসিন বি-র ওপর কোনও জিএসটি থাকবে না।
করোনা পরীক্ষার যন্ত্রপাতির উপর জিএসটি থাকবে ৫ শতাংশ।
মেডিক্যাল গ্রেড অক্সিজেন, অক্সিজেন কনসেনট্রেটর, এবং অক্সিজেন জেনারেটরের উপরেও জিএসটি ৫ শতাংশ থাকছে।
হ্যান্ড স্যানিটাইজারের ক্ষেত্রে ১৮ শতাংশের পরিবর্তে ৫ শতাংশ জিএসটি থাকবে।
পাল্স অক্সিমিটারের উপরেও জিএসটি ৫ শতাংশ।
আরটিপিসিআর কিট, আরএনএ এক্সট্র্যাকশন উপরে আগের মতো ১৮ শতাংশ জিএসটি থাকবে।
জিনোম সিকোয়েন্সিং কিটে ১২ শতাংশ জিএসটি নেওয়া হবে।
অ্যাম্বুল্যান্সের উপর জিএসটি কমিয়ে ১২ শতাংশ করা হয়েছে।
সূত্র: আজকাল



