
ক্রমশ আশা জোগাচ্ছে দেশের করোনাচিত্র। কমছে সক্রিয় রোগীর সংখ্যা। অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে এসেছে দৈনিক মৃত্যুর হারও। স্বাস্থ্যমন্ত্রকের সর্বশেষ বুলেটিন অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে নতুন করে কোভিডে আক্রান্ত হয়েছেন ৬২ হাজার ৪৮০ জন। মৃত্যু হয়েছে ১ হাজার ৫৮৭ জনের।
এই মুহূর্তে গোটা দেশে অ্যাকটিভ করোনা রোগীর সংখ্যা ৮ লক্ষ থেকে নেমে দাঁড়িয়েছে ৭ লক্ষ ৯৮ হাজার ৬৫৬ জন। বিগত ৭৩ দিনে যা সর্বনিম্ন। এর পাশাপাশি গত একদিনে কোভিড থেকে সেরে উঠেছেন ৮৮ হাজার ৯৭৭ জন। দেশজুড়ে সুস্থতার হার আপাতত ৯৬ শতাংশেরও বেশি। যা রীতিমতো স্বস্তিদায়ক। স্বাস্থ্যমন্ত্রকের পরিসংখ্যান বলছে, দেশে মোট ২ কোটি ৯৭ লক্ষ ৬২ হাজার ৭৯৩ জন করোনা রোগীর মধ্যে সেরে উঠেছেন ২ কোটি ৮৫ লক্ষ ৮০ হাজার ৬৪৭। মৃত্যু হয়েছে ৩ লক্ষ ৮৩ হাজার ৪৯০ জনের।
পাশাপাশি এখনও পর্যন্ত দেশের ২৬ কোটি ৮৯ লক্ষ ৬০ হাজার ৩৯৯ জন নাগরিকের ভ্যাকসিনেশন হয়েছে বলে কেন্দ্রের তরফে খবর। এদিকে করোনার দ্বিতীয় ঢেউ সামাল দিতে দিতেই থার্ড ওয়েভ নিয়ে প্রস্তুতি শুরু করেছে বেশ কিছু রাজ্য। যদিও গতকাল দিল্লি এইমসের পক্ষ থেকে জানানো হয়, তৃতীয় ঢেউয়ে শিশুদের পাশাপাশি কমবয়সীদের সংক্রামিত হওয়ার ঝুঁকি অনেকটাই কম।
সেরো-সার্ভের রিপোর্টে এমনটাই দেখা গেছে বলে মত এইমসের চিকিত্সকদের। একই কথা জানিয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থাও। উল্লেখ্য, এই সার্ভের মাধ্যমে রক্তে অ্যান্টিবডির উপস্থিতি এবং পরিমাণ দেখা হয়। যার রিপোর্ট হাতে আসার পর এইমস-এর বক্তব্য, ১৮ বছর ও তার নীচের বাচ্চাদের সেরোপজিটিভিটি রেট বেশি। অর্থাত্, তাদের রক্তে অ্যান্টিবডির পরিমাণ বেশি থাকায় স্বাভাবিকভাবেই সংক্রমণের ঝুঁকি কম।
সুত্র : দ্য ওয়াল



