
উদ্বেগ বাড়াচ্ছে দেশের দৈনিক কোভিড সংক্রমণের পরিসংখ্যান। দিন প্রতিদিন বেড়েই চলেছে দৈনিক আক্রান্তের সংখ্যা। গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে নতুন করে করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ৪১ হাজার ৮০৬ জন এবং মৃত্যু হয়েছে ৫৮১ জনের। গতকালের থেকে দৈনিক সংক্রমণ বাড়লেও কমেছে মৃত্যু।
কোভিডমুক্ত হয়েছেন ৩৯ হাজার ১৩০ জন। দেশে এই মুহূর্তে সক্রিয় করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ৪ লাখ ৩২ হাজার ৪১ জন। করোনাভাইরাসের হাত থেকে রেহাই পাওয়ার জন্য টিকাকরণে জোর দেওয়ার কথা বলছেন বিশেষজ্ঞরা। এখনও পর্যন্ত দেশে কোভিড টিকা পেয়েছেন ৩৯ কোটি ১৩ লাখ ৪০ হাজার ৪৯১ জন।
India reports 41,806 new #COVID19 cases, 39,130 recoveries, & 581 deaths in the last 24 hours, as per Health Ministry
Total cases: 3,09,87,880
Total recoveries: 3,01,43,850
Active cases: 4,32,041
Death toll: 4,11,989Total vaccinated: 39,13,40,491 (34,97,058 in last 24 hrs) pic.twitter.com/gyZqhcksfn
— ANI (@ANI) July 15, 2021
প্রসঙ্গত, করোনার তৃতীয় ঢেউয়ের ভয়াবহতা রুখতে সচেষ্ট প্রশাসন। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র সচিব অজয় ভাল্লা বুধবার চিঠি পাঠান সমস্ত রাজ্যের মুখ্য সচিবদের। তালিকায় রয়েছে পশ্চিমবঙ্গও। করোনার বিধিনিষেধ নিয়ে একাধিক পরামর্শ দেওয়া হয়েছে রাজ্যগুলিকে। চিঠিতে বলা হয়েছে, অধিকাংশ ক্ষেত্রে কোভিড বিধি মানা হচ্ছে না। বিশেষত গণপরিবহণ, পর্যটন স্থলগুলিতে বাড়ছে ভিড়। বিধিনিষেধের তোয়াক্কা না করেই জনসমাগম হচ্ছে। এর জেরে সংক্রমণ ফের ঊর্ধ্বমুখী হচ্ছে।
অজয় ভাল্লা সমস্ত রাজ্যের মুখ্য সচিবদের পরামর্শ দিয়েছেন, অবিলম্বে হটস্পট চিহ্নিত করে সংক্রমণ মোকাবিলায় জোর দিতে হবে। কনটেনমেন্ট জোন বাড়াতে হবে। প্রয়োজনে কোভিড বিধি ভঙ্গকারীদের বিরুদ্ধে কড়া আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার কথাও বলা হয়েছে। টিকাকরণ এবং করোনা পরীক্ষায় আরও জোর দিতেও বলা হয়েছে।
করোনা সংক্রমণ সামান্য কমতেই পাহাড়ে ঢল নেমেছিল পর্যটকদের। এমনকী, সামাজিক দূরত্বও বালাই ছিল না অধিকাংশ ক্ষেত্রেই। এবার নিয়ে উদ্বেগের সুর শোনা গিয়েছে স্বয়ং প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর কণ্ঠেও।
এর আগে উত্তরপূর্ব ভারতের রাজ্যগুলির মুখ্যমন্ত্রীদের সঙ্গে বৈঠক করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। অসম, নাগাল্যান্ড, ত্রিপুরা, সিকিম, মণিপুর, মেঘালয়, অরুণাচলপ্রদেশ এবং মিজোরাম এই রাজ্যগুলি করোনার তৃতীয় ঢেউ মোকাবিলায় কতটা প্রস্তুত? নমো বলেন, ‘করোনাভাইরাসের জেরে পর্যটন ব্যবস্থা বিপুলভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
কিন্তু করোনা পরিস্থিতিতে মাস্ক ছাড়া পাহাড়ে যেভাবে মানুষজন মাস্ক ছাড়া ঘুরে বেড়াচ্ছেন তা কোনওভাবেই উচিত নয় এবং তা অত্যন্ত উদ্বেগজনক। করোনাভাইরাস নিজেই চলে যাবে এমনটা নয়। আমরা নিয়ম না মানলেই ছড়াবে সংক্রমণ।’
সূত্র : এই সময়



