
ঘাটতিই ভিলেন, মঙ্গলবার থেকে কলকাতায় অনির্দিষ্ট কালের জন্য বন্ধ কোভিশিল্ডের টিকাকরণ (Covishield Dose)। এর জেরে বিপাকে পড়েছেন কোভিশিল্ডের প্রথম ডোজ নিয়ে নেওয়া প্রচুর বাসিন্দা। কোভ্যাক্সিনের জোগান থাকলেও কোভিশিল্ড প্রয়োজনের তুলনায় কম আসায় এই পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে বলে কলকাতা পুরসভার তরফে খবর। এই প্রসঙ্গে পুর প্রশাসক ফিরহাদ হাকিম কেন্দ্রের বিরুদ্ধেই অভিযোগ তুলেছেন।
এদিকে গত শনিবার কলকাতায় কোভিশিল্ডের ডোজ এসেছে সাড়ে তিন লাখ ও কোভ্যাক্সিনের এক লাখ ডোজ। পুরসভার তরফে কোভিশিল্ড টিকা দেওয়ার কথা জানানো হলেও বাস্তব চিত্র অন্য কথা বলছে।
মঙ্গলবার থেকে অনির্দিষ্ট কালের জন্য কোভিশিল্ড দেওয়া বন্ধ হয়ে যাচ্ছে কলকাতায়। এই আকালের মধ্যে বড় খবর হল রাজ্যের ৭০ শতাংশ মানুষ টিকার আওতাতেই আসেনি এখনও। – Anupam Shyam Dies: মাল্টি অর্গ্যান ফেলিওর, প্রয়াত অভিনেতা অনুপম শ্যাম
স্বাস্থ্য দপ্তরের রিপোর্ট বলছে, কেন্দ্র থেকে আসা কোভিশিল্ডের টিকার মধ্যে ৪০ হাজার ডোজ কলকাতার জন্য বরাদ্দ। এর মধ্যে ৩০ হাজার ডোজ কলকাতা পুরসভার স্বাস্থ্যকেন্দ্রের জন্য বরাদ্দ। এই পরিস্থিতিতে কোভিশিল্ডের সেকেন্ড ডোজের জন্য অপেক্ষারতরা বেশ বিপাকে পড়েছেন।
অন্যদিকে দেশে টিকাকরণে এখনও পর্যন্ত ৪৪ কোটি ২০ লক্ষ ৬৮ হাজার কোভিশিল্ড ব্যবহার করা হয়েছে। কোভ্যাক্সিন ব্যবহার করা হয়েছে ৬ কোটি ১৫ লক্ষ ২৮ হাজার ৬৪৭। ৫ লক্ষ ৭৬ হাজার ৬৪৮ স্পুটনিক-ভি ব্যবহার করা হয়েছে।
আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে ১৮-র ঊর্ধ্বে সামগ্রিক টিকাকরণ সেরে ফেলতে ইতিমধ্যেই ১০০ কোটি ৬০ লক্ষ টিকার বরাত দেওয়া হয়েছে। আগেভাগে দেশের শীর্ষ আদালতকে এই তথ্য দিয়েছে কেন্দ্র। এমতাবস্থায় কলকাতায় কোভিশিল্ডের আকাল দেখা দেওয়ায় টিকাকরণ প্রক্রিয়া বড়সড় সমস্যা হতে পারে বলে মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল।
এদিকে জনসন অ্যান্ড জনসনের টিকা ছাড়পত্র পেয়েছে। টিকাকরণের লক্ষ্যপূরণে কেন্দ্র তাড়াহুড়ো করতে গিয়ে কী নতুন টিকার কার্যকারীতা সংক্রান্ত প্রক্রিয়ায় ঢিলেমি দিচ্ছে কি না, তানিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। যদিও ড্রাগ কন্ট্রোলার অফ ইন্ডিয়ার দাবি, উন্নত প্রযুক্তির সাহায্যে কম সময়ে টিকার কার্যকারীতার পরীক্ষা করা হচ্ছে।
সুত্র : লেটেস্ট লি



