কলকাতা

ককরোচ জনতা পার্টির এক্স অ্যাকাউন্ট বন্ধ! কেন্দ্রকে তুলোধোনা মহুয়া-শশীর, তুঙ্গে রাজনৈতিক তরজা

ওয়েস্ট বেঙ্গল নিউজ ২৪

Cockroach Janata Party X account suspended : ককরোচ জনতা পার্টির এক্স অ্যাকাউন্ট বন্ধ! কেন্দ্রকে তুলোধোনা মহুয়া-শশীর, তুঙ্গে রাজনৈতিক তরজা - West Bengal News 24

ককরোচ জনতা পার্টি। গত কয়েকদিনে দেশের রাজনৈতিক ও সামাজিক মহলে সবচেয়ে বেশি আলোচিত নামগুলির মধ্যে অন্যতম। আনুষ্ঠানিকভাবে কোনও রাজনৈতিক দল না হলেও জনপ্রিয়তার বিচারে বহু প্রতিষ্ঠিত দলকেও টেক্কা দিয়েছে এই প্রতীকী ‘পার্টি’। এবার সেই ককরোচ জনতা পার্টির সমর্থনে সরব হলেন বিরোধী শিবিরের দুই সাংসদ মহুয়া মৈত্র ও শশী থারুর। তাঁদের বক্তব্য, এই ‘পার্টি’ মূলত দেশের তরুণ প্রজন্মের মতপ্রকাশের একটি প্ল্যাটফর্ম। তাই তাদের কণ্ঠরোধ করা গণতন্ত্রের পরিপন্থী।

দেশের প্রধান বিচারপতির একটি ‘কটাক্ষমূলক’ মন্তব্যের প্রতিবাদ ঘিরেই আত্মপ্রকাশ ঘটে ককরোচ জনতা পার্টির। বৃহস্পতিবার ইনস্টাগ্রামে ফলোয়ার সংখ্যার নিরিখে বিজেপি ও কংগ্রেসকে পিছনে ফেলে দেয় এই প্রতীকী সংগঠন। এরপরই শুরু হয় বিতর্ক। ‘ককরোচ জনতা পার্টি’র প্রতিষ্ঠতা অভিজিৎ দীপক কটাক্ষ করে লেখেন, ‘বিজেপি নিজেকে বিশ্বের বৃহত্তম পার্টি হিসাবে দাবি করে। কিন্তু ওদের টপকে যেতে আমাদের মাত্র চারদিন লাগল।’ সেই পোস্টের কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই এক্স প্ল্যাটফর্ম থেকে অদৃশ্য হয়ে যায় ককরোচ জনতা পার্টির অফিসিয়াল হ্যান্ডেল।

আরও পড়ুন :: বাড়িতে গোপন গুহা, নিখোঁজ বিধায়কের হন্যে হয়ে খোঁজ! এবার গ্রেপ্তারি এড়াতে হাই কোর্টে বিষ্ণুপুরের দিলীপ মণ্ডল!

এরপরই বিষয়টি নিয়ে সরব হন লোকসভার বিরোধী দুই সাংসদ। কৃষ্ণনগরের তৃণমূল সাংসদ মহুয়া মৈত্র এক্সে লেখেন, ‘আমাদের দেশের সরকার যুবসমাজকে এতটাই ভয় পায় যে একটা অনলাইন আন্দোলনকেও সহ্য করতে পারছে না। ভেবে দেখুন বিরোধী দলগুলোর কাজটা কত কঠিন।’ জানা গিয়েছে, মহুয়াও ককরোচ জনতা পার্টির ফলোয়ারদের মধ্যে রয়েছেন। একই সুর শোনা যায় কংগ্রেস সাংসদ শশী থারুরের গলাতেও। তাঁর বক্তব্য, ‘যুবসমাজ যে কতখানি হতাশ হয়ে পড়েছে, ককরোচ জনতা পার্টির জনপ্রিয়তা দেখেই বুঝতে পারছি। তাদের এক্স অ্যাকাউন্ট বন্ধ করে দেওয়াটা বিপর্যয় বলা যেতে পারে। সিজেপির অ্যাকাউন্ট চলতে দেওয়া উচিত।’

সূত্রের দাবি, কেন্দ্রীয় নির্দেশের পরই সিজেপির এক্স অ্যাকাউন্ট বন্ধ করা হয়েছে। গোয়েন্দা সংস্থা আইবির তরফে নাকি জানানো হয়েছে, এই অ্যাকাউন্ট জাতীয় সুরক্ষার পক্ষে বিপজ্জনক হতে পারে। যদিও প্রতিষ্ঠাতা অভিজিতের দাবি, অ্যাকাউন্ট থেকে কোনও আপত্তিকর বা উসকানিমূলক পোস্ট করা হয়নি। শুধুমাত্র কিছু সামাজিক ইস্যু নিয়েই মতপ্রকাশ করা হয়েছিল। তাহলে কেন আচমকা বন্ধ করে দেওয়া হল অ্যাকাউন্ট? সেই প্রশ্নের উত্তর এখনও মেলেনি।

আরও পড়ুন ::

Back to top button