বঙ্গে এবার শিল্পের জোয়ার! মুম্বইয়ে ধামাকাদার বৈঠকের পর টাটা-আদানির বাংলায় মেগা বিনিয়োগের ইঙ্গিত শমীকের 🚀🔥
ওয়েস্ট বেঙ্গল নিউজ ২৪

রাজ্যে সরকার পরিবর্তনের পর থেকেই শিল্পায়নের গতি বাড়াতে একাধিক উদ্যোগ নিয়েছে নতুন বিজেপি সরকার। টাটা ও আদানির মতো বড় শিল্পগোষ্ঠীর সহযোগিতায় নতুন শিল্প স্থাপনের রূপরেখা তৈরি করা হচ্ছে বলে আগেই জানিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। পাশাপাশি, বিশ্ব বঙ্গ বাণিজ্য সম্মেলনের আদলে শিল্পপতিদের নিয়ে বৃহৎ বৈঠকেরও প্রস্তুতি চলছে।
শিল্পবান্ধব পরিবেশ, লাল ফিতের জটমুক্ত প্রশাসন, দক্ষ মানবসম্পদ এবং উন্নত পরিকাঠামোকে সামনে রেখে রাজ্যে বিনিয়োগ টানার চেষ্টা চালাচ্ছে সরকার। এই আবহেই বৃহস্পতিবার মুম্বইয়ে বিভিন্ন শিল্পপতি ও ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠক করেন রাজ্য বিজেপি সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য। সেই বৈঠকের তথ্য তিনি নিজেই ফেসবুকে প্রকাশ করেন।
আরও পড়ুন :: পুজোর আগেই ‘স্বাস্থ্যসাথী’ উপভোক্তাদের বাছাই, আয়ুষ্মান ভারত প্রকল্পে অন্তর্ভুক্তির নির্দেশ মুখ্যমন্ত্রীর
শিল্পায়ন এবং কর্মসংস্থান বৃদ্ধিকে অগ্রাধিকার দিয়েই এগোচ্ছে বিজেপি সরকার। সেই লক্ষ্য পূরণে ধারাবাহিকভাবে বিভিন্ন পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। বৃহস্পতিবার মুম্বইয়ে শিল্পপতিদের সঙ্গে বৈঠকের পর শমীক ভট্টাচার্য তাঁর ফেসবুক পোস্টে জানান, মুম্বইয়ের বিভিন্ন শিল্প ও বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিদের সঙ্গে পশ্চিমবঙ্গে বিনিয়োগ এবং শিল্পোন্নয়নের সম্ভাবনা নিয়ে ইতিবাচক আলোচনা হয়েছে। বৈঠকে রাজ্যের শিল্পবান্ধব পরিবেশ, দক্ষ মানবসম্পদ, উন্নত যোগাযোগ ব্যবস্থা এবং বিভিন্ন ক্ষেত্রে বিনিয়োগের সুযোগ নিয়ে বিস্তারিত মতবিনিময় হয়। পাশাপাশি, উপস্থিত শিল্পপতিরা পশ্চিমবঙ্গে ব্যবসার পরিধি বাড়ানো এবং নতুন বিনিয়োগের বিষয়ে আগ্রহ দেখিয়েছেন বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
শমীকের আরও বক্তব্য, ‘‘আমরা বিশ্বাস করি, শিল্প, কর্মসংস্থান ও অর্থনৈতিক উন্নয়নের স্বার্থে সরকার, শিল্পমহল এবং বিনিয়োগকারীদের পারস্পরিক সহযোগিতা পশ্চিমবঙ্গের উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।”
তৃণমূল সরকারের আমলে গত ১৫ বছরে শিল্পায়ন ও বিনিয়োগের একাধিক সম্ভাবনার কথা সামনে এলেও, তা বাস্তবায়নে প্রত্যাশিত সাফল্য আসেনি বলে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধীদের অভিযোগ ছিল। সেই ইস্যুতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকারকে বারবার সমালোচনার মুখেও পড়তে হয়েছিল। ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের পর সেই বিতর্ক আরও জোরালো হয়। নতুন সরকার ক্ষমতায় আসার পর শিল্পায়ন, কর্মসংস্থান বৃদ্ধি এবং নতুন বিনিয়োগ নিশ্চিত করাকেই অগ্রাধিকার দিয়ে একাধিক উদ্যোগ নেওয়া শুরু হয়েছে।



