আন্তর্জাতিক

গাঁজা থেকে ১০০ কোটি ডলার আয়ের পরিকল্পনা পাকিস্তানের

গাঁজা থেকে ১০০ কোটি ডলার আয়ের পরিকল্পনা পাকিস্তানের - West Bengal News 24

২০২৪ সালের মধ্যে গাঁজা থেকে ১০০ কোটি ডলার আয়ের ভবিষ্যৎ দেখছে পাকিস্তান সরকার। ওষুধ শিল্পে কাঁচামাল হিসেবে ব্যাপক চাহিদার জন্য চলতি বছর সেপ্টেম্বরে গাঁজা চাষের অনুমতি দেওয়ার পরিকল্পনা করেছে ইমরান খানের প্রশাসন।

গাঁজা অনেকের কাছে মাদক হিসেবে পরিচিত হলেও যুগ যুগ ধরে চিকিৎসাশাস্রে ব্যবহার হচ্ছে। বাজার গবেষণা প্রতিষ্ঠান গ্লোবাল মার্কেট ইনসাইটের গবেষণা অনুযায়ী, ২০২৫ সাল নাগাদ বিশ্বে গাঁজার বৈধ বাজারের আকার ৫৯ হাজার কোটি ডলার ছাড়াবে।

সম্প্রতি সদস্য দেশগুলোর এক জরিপের মাধ্যমে গাঁজাকে কঠিন মাদকের তালিকা থেকে সরিয়ে ফেলার সিদ্ধান্ত নিয়েছে জাতিসংঘ। চিকিৎসা বিজ্ঞানের গবেষণায় গাঁজার প্রয়োজনীয়তার কথা মাথায় রেখেই নেওয়া হয় এই সিদ্ধান্ত। ২০১৯ সালে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডাব্লিউএইচও) এই বিষয়ে জাতিসংঘকে সিদ্ধান্ত নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছিল।

আরও পড়ুন : ধর্ষণ নিয়ে মন্তব্য: ইমরান খানকে এবার ধুয়ে দিলেন সাবেক স্ত্রী

গত কয়েক বছর ধরে লোকসানের মুখে আছে পাকিস্তানের অর্থনীতি। রপ্তানির ৬৪ ভাগ যেই তুলা থেকে আসে ২০১৯ সালে তার উৎপাদন ২০ ভাগ কমেছে। তাই সেই জায়গায় গাঁজা চাষ একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে বলে মনে করছে দেশটির সরকার।

দেশটির বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিমন্ত্রী ফাওয়াদ চৌধুরী বলেন, ‘আন্তর্জাতিক বাজারের একটি অংশ ধরতে পারলে তিন বছরে এই খাত থেকে পাকিস্তানের আয় দাঁড়াবে ১০০ কোটি ডলার। যেখানে গোটা আন্তর্জাতিক বাজারের আকার এখন ২৫ হাজার কোটি ডলার।’

আরও পড়ুন : বিশ্বে করোনা শনাক্ত ১৩ কোটি ৪৫ লাখ ছাড়াল

পাকিস্তানে বসবাসরত জার্মান পরিবেশবিদ হেলগা আহমেদ বলেন, ‘গাঁজা এমনকি খারাপ আবহাওয়াতেও সহজে চাষ করা সম্ভব। এর উৎপাদনে কোনো কীটনাশকের প্রয়োজন নেই, যার কারণে এটি পরিবেশবান্ধব ও নিরাপদ৷। এমনকি অল্প জমিতেও এটি যথেষ্ট জন্মে এবং তুলার চাষের চেয়ে কম পানির প্রয়োজন হয়।’

প্রসঙ্গত, অ্যালকোহলের বিষয়ে রক্ষণশীল হলেও পাকিস্তানের বিভিন্ন অঞ্চলে ক্যানাবিস বা গাঁজা উন্মুক্তভাবেই চাষ এবং বেচা-কেনা হয়ে আসছে। বিশেষ করে আফগানিস্তানের কাছে সীমান্তবর্তী এলাকায় বসবাসরত বিভিন্ন নৃ-গোষ্ঠী অনেক আগে থেকেই গাঁজা চাষ করছে। সেসব ওষুধ শিল্পের কাঁচামাল হিসেবেও কার্যকর।

আরও পড়ুন ::

Back to top button