
প্রধানমন্ত্রী বলেছিলেন, করোনা ঠেকাতে লকডাউন হোক শেষ হাতিয়ার। কিন্তু বাস্তবে দেখা যাচ্ছে দিনের পর দিন হাতের বাইরে বেরিয়ে যাচ্ছে পরিস্থিতি। করোনার দ্বিতীয় ঢেউ সামাল দিতে একের পর এক রাজ্য লকডাউনকেই বেছে নিচ্ছে।
দিল্লি, মহারাষ্ট্র, বিহার, ওডিশা, কেরলের পর এবার লকডাউন ঘোষণা করল মধ্যপ্রদেশও। আগামী ১৫ মে পর্যন্ত সম্পূর্ণ লকডাউন ঘোষণা করেছে মধ্যপ্রদেশ সরকার। বৃহস্পতিবার মধ্যপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী শিবরাজ সিং চৌহান জানিয়েছেন তাঁর রাজ্যে করোনার সংক্রমণের হার রীতিমতো উদ্বেগজনক। তাই আর দেরি করা ঠিক হবে না। লকডাউন করতেই হবে।
মধ্যপ্রদেশে বর্তমানে করোনার সক্রিয়তার হার গিয়ে দাঁড়িয়েছে ১৮ শতাংশে। তাতেই চিন্তার ভাঁজ দৃঢ় হয়েছে সরকারের কপালে। মুখ্যমন্ত্রী বলেছেন, ‘রাজ্যে করোনার শৃঙ্খল ভাঙার জন্য আমাদের সবকিছু একেবারে বন্ধ করে দিতে হবে।
আগামী ১৫ তারিখ পর্যন্ত থাকবে কড়া জনতা কার্ফু।’ যদিও খুব বেশিদিন সবকিছু বন্ধ করে রাখা সম্ভব নয়, মেনে নিয়েছেন শিবরাজ সিং চৌহান। তাঁর কথায়, ‘আমরা বেশিদিন সব বন্ধ রাখতে পারব না। কিন্তু ১৮ শতাংশ সংক্রমণের হার নিয়ে সব খোলাও রাখা যায় না।’ এদিন সকালে লকডাউন ঘোষিত হয়েছে কেরলেও।
মুখ্যমন্ত্রী পিনারাই বিজয়ন জানিয়েছেন, ‘আগামী ৮ থেকে ১৬ মে অবধি লকডাউন জারি থাকবে কেরলে। সংক্রমণের শৃঙ্খল ভাঙার জন্যেই এই পদক্ষেপ জরুরি।’ বৃহস্পতিবার কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রকের রিপোর্টে বলা হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে করোনা পজিটিভ ধরা পড়েছে ৪ লাখ ১২ হাজার।
একদিনে ফের সর্বাধিক মৃত্যুর রেকর্ড তৈরি হয়েছে দেশে। ভাইরাস সংক্রমণে দৈনিক মৃত্যু চার হাজারের গণ্ডি ছুঁতে চলেছে। মহারাষ্ট্র, গুজরাট, কর্নাটক, কেরল সহ ১২ রাজ্যে সংক্রমণের ভয়ঙ্কর ঢেউ আছড়ে পড়েছে।
সূত্র : দ্য ওয়াল



