জাতীয়

কাশ্মীরে ৩৭০ ধারা লাগু করতে হলে শতবার জন্মাতে হবে : বিজেপি সভাপতি রবীন্দ্র রায়না

কাশ্মীরে ৩৭০ ধারা লাগু করতে হলে শতবার জন্মাতে হবে : বিজেপি সভাপতি রবীন্দ্র রায়না - West Bengal News 24

৩৭০ ধারা (Article 370) নিয়ে প্রবীণ কংগ্রেস নেতা দ্বিগবিজয় সিং (Digvijaya Singh)-এর বিতর্কিত অডিও ফাঁস হতেই তোলপাড় গোটা দেশজুড়ে। ইতিমধ্যেই আক্রমণ শুরু করেছে বিজেপি নেতৃত্ব। আর্টিকেল ৩৭০ ধারা নিয়ে এবার তীব্র আক্রমণ করলেন জম্মু ও কাশ্মীরের বিজেপি সভাপতি রবীন্দ্র রায়না (Ravindra Raina)। তিনি প্রবীণ কংগ্রেস নেতার উদ্দেশ্যে বলেন, একশত বার জন্ম নিলেও ভারতের বিরুদ্ধে কংগ্রেস নেতাদের ষড়যন্ত্র সফল হতে দেবে না ভারতীয় জনতা পার্টি (BJP)। এমনকি তিনি এটাও অভিযোগ করেন যে, বিরোধী দল কংগ্রেস পাকিস্তানের সঙ্গে হাত মিলিয়ে নিয়েছে।

জম্মু ও কাশ্মীরের বিজেপি সভাপতি রবীন্দ্র রায়না এদিন বলেন, ভারত মাতার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র হচ্ছে। পেছন থেকে ছুরিকাঘাত করার চেষ্টা করছে জাতীয় কংগ্রেস। এমন নোংরা কাজ করার জন্যে দেশবাসী কখনও ক্ষমা করবে না। ক্লাব হাউজের বিতর্কিত অডিও নিয়ে তিনি বলেন, স্ক্রিপ্ট গান্ধীরা লিখেছে পরিচালনা হয়েছে পাকিস্তান থেকে।

তিনি আরও বলেন, জম্মু ও কাশ্মীরের (Jammu And Kashmir) মানুষ ৩৭০ ধারা বাতিল হওয়ায় খুশি, কারণ এটি পাকিস্তানি মতাদর্শের উত্থাপন এবং বিচ্ছিন্নতাবাদকে শক্তিশালী করার মূল কারণ ছিল। ৫ অগাস্ট ২০১৯ এই ধারা প্রত্যাহারের সঙ্গে সঙ্গে ‘এক নিশান, এক বিধান এবং একটি প্রধানের’ স্বপ্ন পূরণ হয়েছিল। কংগ্রেস এই কারণেই ষড়যন্ত্র করছে। তা প্রবীণ নেতার মন্তব্য থেকে স্পষ্ট।

৩৭০ ধারা প্রত্যাহার করতে কংগ্রেসকে ১০০ বার জন্ম নিতে হবে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ এবং বিজেপির প্রতিটি কর্মী একজন সৈনিকের মতো দেশকে পাহাড়া দিচ্ছে। নিজের দেশের জন্যে জীবন উত্‍সর্গ করতে পিছু পা হবে না। সোনিয়া গান্ধী, রাহুল গান্ধী এবং দিগ্বিজয় সিংকে জম্মু ও কাশ্মীরে পাকিস্তানের এজেন্ডা প্রয়োগ করতে দেবে না।

উল্লেখ্য, ফাঁস হওয়া অডিও-র কথোপকথনে প্রথমে সাংবাদিক দ্বিগবিজয় সিংকে প্রশ্ন করেন, ভারতে কেন্দ্রে ক্ষমতা থেকে বিজেপি সরে গেলে, এবং মোদী প্রধানমন্ত্রীত্ব হারালে, সেই জায়গায় কংগ্রেস যদি ক্ষমতায় আসে, তাহলে আর্টিকেল ৩৭০ উঠিয়ে দেওয়ার ব্যাপারে কী সিদ্ধান্ত নেবেন?

এর উত্তরে দ্বিগবিজয় সিং প্রশ্নকর্তাকে শাহবাজ বলে সম্বোধন করে বলেন যে, জম্মু-কাশ্মীরের বুকে আর্টিকেল ৩৭০ তুলে দিয়ে রাজ্যের মর্যাদাকে কমিয়ে দেওয়া হয়েছে তার সঙ্গে কেড়ে নেওয়া হয়েছে স্পেশাল স্ট্যাটাস। এর ফলে একটা জিনিস স্পষ্ট সেখানে কোনো গণতন্ত্র ছিলনা। তাঁকে এও বলতে শোনা যায় যে, আর্টিকেল ৩৭০ রদের পর থেকেই সেখানে কোনো মানবতা ছিল না। সেখানকার নেতা-কর্মীদেরও কারাগারে বন্দী করা হয়। তাই কংগ্রেস ক্ষমতায় এলে আর্টিকেল ৩৭০ তোলার বিষয়টি নিয়ে পুনরায় বিচার বিবেচনা করবে।

সূত্র: কলকাতা ২৪*৭

আরও পড়ুন ::

Back to top button