জাতীয়

বড় খবর : পুলওয়ামায় ধৃত শীর্ষ লস্কর কমান্ডার, এনকাউন্টারে মৃত দুই জঙ্গি

Pulwama Encounter : বড় খবর : পুলওয়ামায় ধৃত শীর্ষ লস্কর কমান্ডার, এনকাউন্টারে মৃত দুই জঙ্গি - West Bengal News 24
Jammu and Kashmir Encounter. (Photo Credits: ANI )

পুলওয়ামা জেলায় লস্করের এক শীর্ষ কমান্ডারকে আটক করা হয়েছে। শনিবার সকালে এমনটাই জানিয়েছে জম্মু এবং কাশ্মীর পুলিশ। তাদের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে ধৃত কমান্ডারের নাম উমর মুস্তাক খান্ডে। এই জঙ্গি কাশ্মীরে কর্মরত শীর্ষ দশ কমান্ডারের মধ্যে অন্যতম। কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, দুই পুলিশ কনস্টেবল হত্যার সঙ্গে সরাসরি জড়িত ধৃত মোস্তাক।

ইনস্পেক্টর জেনারেল অব পুলিশ বিজয় কুমারের উদ্ধৃতি দিয়ে কাশ্মীর পুলিশ একটি টুইট করে জানিয়েছে, শীর্ষ দশ সন্ত্রাসীদের মধ্যে অন্যতম ধৃত এলইটি কমান্ডার উমর মুস্তাক। পাশাপাশি টুইটে বলা হয়েছে, বাঘাট শ্রীনগরে দুই পুলিশ কর্মীকে হত্যার পাশাপাশি পাম্পোর এনকাউন্টারসহ অন্যান্য সন্ত্রাসী অপরাধেও জড়িত ধৃত জঙ্গি।

চলতি বছরের আগস্ট মাস থেকে সেলিম পার্রে, ইউসুফ কান্তরু, আব্বাস শেখ, রিয়াজ শেটারগুন্ড, ফারুক নালী, জুবায়ের ওয়ানি, আশরাফ মলভী, সাকিব মঞ্জুর এবং ওয়াকিল শাহের সঙ্গে উমর মোস্তাকও পুলিশের শীর্ষ দশ জঙ্গির তালিকায় ছিল। শুক্রবার বিকেল থেকে এটি তৃতীয় অপারেশন। আর এর ফলে মোস্তাককে ধরার পাশাপাশি পুলিশের এনকাউন্টারে মারা গিয়েছে আরও দু’জন জঙ্গি।

আরও পড়ুন : আজই বৈঠকে বসছে কংগ্রেসের ওয়ার্কিং কমিটি, আলোচনা হতে পারে এই বিষয়গুলি নিয়ে

এই দু’জনই শ্রীনগরে একজন বেসামরিক নাগরিক এবং একজন পুলিশ সাব-ইন্সপেক্টর হত্যার সাথে জড়িত ছিল। পুলিশ জানিয়েছে, নিহত জঙ্গিদের নাম শহীদ বশির শেখ এবং তানজিল আহমেদ। এরা দু’জনেই শ্রীনগরের বাসিন্দা বলে জানা গিয়েছে। আইজি বিজয় কুমার বলেন, ‍’সন্ত্রাসীদের উপস্থিতি সম্পর্কে সুনির্দিষ্ট তথ্যের ভিত্তিতে, পুলওয়ামা এবং শ্রীনগরে দু’টি অভিযান চালানো হয়, যার ফলে এলইটি (টিআরএফ)-এর দুই জঙ্গি নিহত হয়েছে।

এই দু’জনই সাম্প্রতিক সময়ে একজন বেসামরিক নাগরিক ও শ্রীনগরের একজন প্রবেশনারি পুলিশ সাব-ইন্সপেক্টর হত্যাকাণ্ডে জড়িত ছিল।’ সেই সঙ্গে তিনি জানান, পুলওয়ামা এনকাউন্টারে হাব্বা কদলের তানজিল আহমেদ ও বশির শেখ নামে একজন জঙ্গি নিহত হয়েছে।

পুলিশের রেকর্ড অনুসারে, নিহত জঙ্গি সম্প্রতি সন্ত্রাসী দলে নাম লিখিয়েছিল এবং নিষিদ্ধ সন্ত্রাসী সংগঠন এলইটি (টিআরএফ)-এর সঙ্গে যুক্ত ছিল। ২ অক্টোবর বাটামালু শ্রীনগরে একজন বেসামরিক নাগরিক মহম্মদ শফি দার (পিডিডি কর্মচারী)-কে হত্যার সঙ্গে জড়িত ছিল এই জঙ্গি। সাধারণ মানুষকে হুমকি, ভয় দেখানো এবং হত্যার মাধ্যমে স্থানীয়দের মধ্যে সন্ত্রাস সৃষ্টির জন্যও দায়ী এই সন্ত্রাসবাদী।

আরও পড়ুন : ঠিক যেন লখিমপুর! দশমীর বিসর্জনে প্রায় ২০ জনকে পিষে দিল বেপরোয়া গাড়ি

বিজয় কুমার জানান, হামদানিয়া কলোনি বেমিনায় অপর একটি অভিযানে শ্রীনগরের হাব্বা কদলের তানজিল আহমদ নামে একজন জঙ্গি নিহত হয়েছে। পুলিশের রেকর্ড অনুযায়ী, তানজিল সম্প্রতি জঙ্গি সংগঠনে যোগ দিয়েছিল এবং নিষিদ্ধ সন্ত্রাসী সংগঠন এলইটি (টিআরএফ)-এর সাথে যুক্ত ছিল।

কুমার জানান, সেপ্টেম্বরে শ্রীনগরের খানিয়ার এলাকায় পিএসআই আরশিদ আশরাফ হত্যার সঙ্গে জড়িত ছিল এই জঙ্গি। কুমার বলেন, এই দু’টি সুনির্দিষ্ট হত্যাকাণ্ড ছাড়াও শহীদ এবং তানজিল সাম্প্রতিক সময়ে শ্রীনগরের একজন ফার্মাসিস্ট ও দুই শিক্ষককে হত্যার ক্ষেত্রে সহযোগিতা করেছিল।

তিনি বলেন, ‍’এনকাউন্টার ঘটনাস্থল থেকে অস্ত্র (দু’টি একে ৪৭ রাইফেল) এবং গোলাবারুদ সহ আপত্তিকর সামগ্রী উদ্ধার করা হয়েছে।’ এদিকে আইজিপি কাশ্মীর জানিয়েছেন, শহরে সাম্প্রতিক সময়ে আটটি এনকাউন্টারে বেসামরিক লোকদের হত্যার পর ৮ অক্টোবর থেকে কাশ্মীরে অভিযান চালিয়ে ১১ জন জঙ্গিকে মারা হয়েছে।

সুত্র : প্রথম কলকাতা

আরও পড়ুন ::

Back to top button