বলিউড

বাস কন্ডাক্টরের ছেলে যশ যেভাবে ‘সুপার স্টার’ হয়ে উঠলেন

কন্নড় সিনেমার অভিনেতা নবীন কুমার গৌঢ়া। তবে সবার কাছে তিনি ‘যশ’ নামেই পরিচিত। ভক্তরা তাকে ডাকেন ‘রকিং স্টার’। ২০১৮ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত ‘কেজিএফ-চ্যাপ্টার ওয়ান’ সিনেমার মাধ্যমে রাতারাতি খ্যাতি পেয়েছেন এই অভিনেতা। সম্প্রতি মুক্তি পাওয়া এই সিনেমার সিক্যুয়েল তাকে এনে দিয়েছে তারকা খ্যাতি।

বিনোদন জগতের সঙ্গে বলার মতো কোনো সম্পর্ক ছিল না যশের পরিবারের। মাইসোরের হাসানে জন্ম আর বেড়ে ওঠা। নিম্ন মধ্যবিত্তের পরিবারের ছেলে তিনি। বাবা ছিলেন বাস কন্ডাক্টর। এতো কিছুর পরও যশের চোখে ছিল স্বপ্ন। একদিন বড় কিছু হবেন।

অভিনেতা হওয়ার ভূত ছোটবেলা থেকেই যশের মাথায় ছিল। ছোটখাট চরিত্রে অভিনয় করতেন। স্কুলের শিক্ষক-শিক্ষিকারা তাকে ‘হিরো’ বলেই ডাকতেন। শিক্ষক-শিক্ষিকাদের মজার ছলে বলা সেই কথাগুলোই মনে জিদ হয়ে চেপে বসেছিল যশের। তিনি সবসময়ই বলতেন, বড় হয়ে ‘সুপার স্টার’ হবেন। সবাই হাসতো। কিন্তু ছোট্ট যশের বিশ্বাস ছিল, একদিন না একদিন ঠিক হিরো হবেন তিনি।

আরও পড়ুন :: যে কারণে বলিউড ছাড়তে বাধ্য হয়েছিলেন ভাগ্যশ্রী

এই অভিনেতার ভাষায়, ‘অভিনেতা হলে সবার নজরকাড়া যায়। এটা খুব ভালো লাগতো, সিনেমা হলে বসে সিটি বাজাতে খুব ভালো লাগত। যেমন খুশি তেমন সাজো প্রতিযোগিতায় নাম দিতাম, নাচতাম। খুব আনন্দ হতো। এভাবেই শুরু। আর ধীরে ধীরে আজ এই অবস্থানে।’

দশম শ্রেণিতেই অভিনয়ের সঙ্গে যুক্ত হয়ে গিয়েছিলেন যশ। বয়স যতো বাড়তে থাকে অভিনেতা হওয়ার স্বপ্নে বিভোর হতে থাকেন তিনি। কিন্তু আর্থিকভাবে অসচ্ছ্বলতার কারণে স্বপ্ন পূরণে নানা বাধার মুখে পড়েন। পরিবারের পক্ষ থেকেও বাধা এসেছিল। বাবা-মা ভেবেছিলেন, সিনেমার জগৎ ভালো নয়। কিন্তু অভিনেতা হওয়ার প্রচণ্ড ইচ্ছায় বাড়ি ছেড়ে বেরিয়ে পড়েন যশ। মাত্র ৩০০ রুপি আর চোখ ভরা স্বপ্ন নিয়ে ঘর ছাড়েন। একটি থিয়েটার গ্রুপে যোগ দিয়ে ব্যাক স্টেজের কাজ শুরু করেন।

অশোক কাশ্যপের ‘নন্দগোকুলা’ টিভি ধারাবাহিকে অভিনয়ের মাধ্যমে ক্যারিয়ার শুরু করেন যশ। ২০০৮ সালে ‘মোগিনা মানাসু’ সিনেমায় অভিনয়ের মাধ্যমে বড় পর্দায় পা রাখেন। এরপর ‘গুগলি’, ‘মিস্টার অ্যান্ড মিসেস রামাচারি’, ‘মাস্টারপিস’সহ বেশ কিছু জনপ্রিয় সিনেমা উপহার দিয়েছেন যশ।

আরও পড়ুন ::

Back to top button