আন্তর্জাতিক

রাজা তৃতীয় চার্লসের যত কেলেঙ্কারি

মাত্র তিন বছর বয়সে ইংল্যান্ডের যুবরাজ হয়েছিলেন তিনি। এরপর কেটে গেছে সাত দশক। রানি দ্বিতীয় এলিজাবেথের মৃত্যুর পর প্রথা অনুযায়ী ইংল্যান্ডের রাজা হয়েছেন ৭৩ বছর বয়সী রাজা তৃতীয় চার্লস।

রানি দ্বিতীয় এলিজাবেথের জ্যেষ্ঠ পুত্র চার্লস কখনোই তার মায়ের মতো জনপ্রিয় ছিলেন না। রাজপরিবারের সদস্যদের মধ্যে তিনিই বারবার বিতর্কের জন্ম দিয়েছেন বলে মনে করা হয়। প্রিন্সেস ডায়ানার সঙ্গে বিবাহিত থাকা অবস্থায় অন্য সম্পর্কে জড়ানো থেকে শুরু করে প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে হস্তক্ষেপের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে।

অবশ্য গত কয়েক দশকে ব্রিটিশ রাজপরিবারের যত কেলেঙ্কারি তার বড় অংশ জুড়েই ছিলেন চার্লস। মাত্র ১৪ বছর বয়সে স্কুলের একটি অনুষ্ঠানে মদ অর্ডার করে বিতর্কের মুখে পড়েন তিনি। এমনকি তার একাধিক গাড়ি রয়েছে যেগুলোতে জ্বালানি হিসেবেও ব্যবহৃত হয় মদ। বিস্কুট কোম্পানি খুলে রাজপরিবারেই বিতর্কের জন্ম দেন নতুন রাজা।

তবে এক ডায়ানা ইস্যুই অনেকের সামনে ভিলেনে পরিণত করেছে রাজা চার্লসকে। যুবরাজ চার্লস ১৯৮১ সালে বিয়ে করেন ডায়ানা স্পেনসারকে। সারা বিশ্বে আলোড়ন তোলে ওই রাজকীয় বিয়ে। মানবকল্যাণ আর সমাজসেবার জন্য দ্রুতই গ্লোবাল আইকনে পরিণত হন প্রিন্সেস ডায়ানা।

তবে বিয়ের ১১ বছরের মাথায় ডায়ানার সঙ্গে বিচ্ছেদ হয় চার্লসের। বলা হয়, ক্যামিলা পার্কারের সঙ্গে সম্পর্ক আর শারীরিক-মানসিক নির্যাতনের কারণেই ঘটে তাদের বিচ্ছেদ। এমনকি প্যারিসে সড়ক দুর্ঘটনায় ডায়ানার মৃত্যুর পেছনেও অনেকে আঙুল তোলেন চার্লসের দিকে। ২০০৫ সালে ক্যামিলা পার্কারকেই বিয়ে করেন চার্লস।

রাজা তৃতীয় চার্লসের বিরুদ্ধে কাতারের সাবেক প্রধানমন্ত্রীর কাছ থেকে এক মিলিয়ন ইউরো ভর্তি একটি স্যুটকেট নেওয়ারও অভিযোগ ওঠে। ওই স্যুটকেসে কাতারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হামাদ বিন জসিমের মোট তিন মিলিয়ন ইউরোর তিনটি নগদ অনুদানের মধ্যে একটি ছিল বলে সানডে টাইমসের প্রতিবেদনে বলা হয়।

আরও পড়ুন ::

Back to top button