কলকাতা

মিড ডে মিলে বিরাট দুর্নীতির অভিযোগ খাস কলকাতায়, তদন্তে শিক্ষা দফতর

মিড ডে মিলে বিরাট দুর্নীতির অভিযোগ খাস কলকাতায়, তদন্তে শিক্ষা দফতর - West Bengal News 24

গ্রাম, মফস্বলে মিড ডে মিল প্রকল্পে দুর্নীতির অভিযোগ বাংলায় নতুন নয়। বাম জমানা থেকেই এ ধরনের অভিযোগ উঠত প্রায়ই। কিন্তু সম্প্রতি খাস কলকাতা শহরে মিড ডে মিল প্রকল্পে বিরাট দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। ঘটনায় আন্দোলিত শিক্ষা দফতরও। যদিও কর্তৃপক্ষ এই অভিযোগ উড়িয়ে দিয়েছে। তবে জানা যাচ্ছে, স্কুল শিক্ষা কমিশনারের কাছে অভিযোগ জমা পড়ার পর কসবার শিক্ষা ভবনের তিনটি অফিসকে সমস্ত ফাইল খতিয়ে দেখতে বলা হয়েছে।

এক ডেটা এন্ট্রি অপারেটরের নেতৃত্বে এই দুর্নীতি হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন দেবাশিস দত্ত নামের এক ব্যক্তি। যদিও অনেকের মতে, অভিযোগকারী ছদ্ম পরিচয়ে সমস্ত তথ্য দিয়ে অভিযোগ করেছেন। কারণ যে তথ্য তিনি দিয়েছেন তাঁর অভিযোগের সপক্ষে, তা ভিতরের লোক ছাড়া হাতে পাওয়া মুশকিল। ঘটনাটা কী হয়েছে? বস্তুত, কলকাতার বহু স্কুলেই মিড ডে মিলের রান্না হয় না। বিভিন্ন এনজিও ও স্বনির্ভর গোষ্ঠীকে বরাত দেওয়া থাকে, তারা রান্না করা খাবার পৌঁছে দেয়।

অভিযোগ, এই সংস্থাগুলিকে অগ্রিম টাকা দেওয়ায় ব্যাপক দুর্নীতি হয়েছে। তা ছাড়া পড়ুয়া সংখ্যার তুলনায় চাল কেনার হিসেবেও ব্যালান্স শিটে বড়সড় গরমিল রয়েছে বলে দাবি অভিযোগকারীর। জনৈক দেবাশিস দত্ত এও বলেছেন, তাঁর অভিযোগ সত্যি কি না তা বুঝতে বেশি সময় লাগার কথা নয়। ২০১৯-২০ এবং ২০২০-২১ অর্থ বছরের বিশেষ অডিট করানো হলেই দুধ-জল আলাদা হয়ে যাবে।

অগ্রিম টাকা দেওয়ার রেজিস্ট্রার, ব্যাঙ্ক স্টেটমেন্ট খতিয়ে দেখারও দাবি তুলেছেন দেবাশিস দত্ত। কলকাতা জেলা প্রাথমিক শিক্ষা সংসদ তথা সর্বশিক্ষা মিশনের চেয়ারম্যান এবং মিড ডে মিল প্রকল্পের দায়িত্বপ্রাপ্ত আধিকারিক কার্তিক মান্না অবশ্য বলেছেন, ‘অগ্রিমের টাকা গত মাসেই অ্যাডজাস্ট করা হয়েছে। এই সংক্রান্ত রিপোর্ট পাঠিয়ে দেওয়া হচ্ছে।’

আধিকারিকের বক্তব্যের পরে ফের প্রশ্ন উঠছে, একসঙ্গে দুটো অর্থ বছরের অ্যাডভান্স রেজিস্ট্রার হঠাত্‍ করে কেন গত মাসেই অ্যাডজাস্ট করতে হল? এটা কি নিছকই কাকতালীয়? তবে অনেকের মতে, একজন ডেটা এন্ট্রি অপারেটরের পক্ষে গোটাটা করা সম্ভব নয়। দফতরের একটা বড় অংশের যোগ না থাকলে এ জিনিস হয় না। গোটাটাই সংগঠিত ভাবে হয়েছে। তবে মূল যে ডেটা এন্ট্রি অপারেটরের বিরুদ্ধে অভিযোগ তিনি আপাতত বেপাত্তা বলে জানা গিয়েছে।

সুত্র : দ্য ওয়াল

আরও পড়ুন ::

Back to top button

দয়া করে ওয়েবসাইটে বিজ্ঞাপনের অনুমতি দিন

দেখে মনে হচ্ছে আপনি কোনও বিজ্ঞাপন ব্লকার ব্যবহার করছেন। আমরা বিজ্ঞাপনের উপর ভরসা করি ওয়েবসাইটের ফান্ডের জন্য