ক্ষতিগ্রস্থ যোশীমঠ, বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে সংবাদমাধ্যমে বিবৃতি নয়, সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলিকে নির্দেশ বিপর্যয় মোকাবিলা দপ্তরের
ওয়েস্ট বেঙ্গল নিউজ ২৪

প্রকৃতির রোশে পড়ে ধ্বংসের মুখে দেবভূমি উত্তরাখণ্ডের (Uttarakhand) যোশীমঠ। প্রকৃতির হাত থেকে কিভাবে রক্ষা করা যায়, দেবভূমিকে , এই নিয়ে প্রশাসনিক স্তরে আলোচনা চলছে। এবার যোশীমঠ (Jashimath) ইস্যুতে সংবাদমাধ্যমে বিবৃতি দিতে নিষেধ করে সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোকে কড়া নির্দেশ দিল বিপর্যয় মোকাবিলা দপ্তর। এমনকী সামাজিক মাধ্যমে (Social Media) পোস্ট করা থেকেও বিরত থাকতে বলা হয়েছে।
সরকারি দপ্তর গুলিকে পাঠানো সেই চিঠিতে এনডিএমএ উল্লেখ করেছে, “দেখা যাচ্ছে, বিভিন্ন সরকারি প্রতিষ্ঠান বিষয়টি নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে তথ্য তুলে ধরছে। এমনকী পরিস্থিতি নিয়ে সংবাদমাধ্যমে নিজেদের মতামত দেওয়া হচ্ছে। এর ফলে শুধুমাত্র ভুক্তভোগী নয়, দেশের মানুষের মধ্যেও বিভ্রান্তি তৈরি হচ্ছে।”
ইসরো (ISRO) সহ সমস্ত সরকারি প্রতিষ্ঠানকে বিষয়টি নিয়ে সতর্ক করে দেওয়া হয়েছে। এনডিএমএ এর এই নির্দেশিকার বিরুদ্ধে সরব বিরোধী রাজনৈতিক মহল। শিবসেনার প্রিয়াঙ্কা চতুর্বেদী টুইটারে লিখেছেন, “জোশীমঠে (Jashimath) কী হচ্ছে সেটা প্রকাশ করতে না দেওয়া কণ্ঠরোধ করা। শুধুমাত্র সরকার যেটা জানতে চায় সেটাই জানা যাবে।”
কংগ্রেসের (Congress) জাতীয় মুখপাত্র শামা মহাম্মদ টুইটারে (Twitter) লিখেছেন, “ইসরো জানিয়েছিল ১২ দিনে ৫.৪ সেন্টিমিটার বসে গিয়েছে জোশীমঠ। সেই রিপোর্টের একদিন পরেই সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোকে সংবাদমাধ্যমে কথা বলতে নিষেধ করা হল। কেন মোদি সরকার (Modi Government) সবসময় ঘটনা লুকোতে চায় ?”
উল্লেখ্য , ফাটল দেখা দেওয়ায় ইতিমধ্যেই জোশীমঠের (Jashimath) ৭২৩টি বাড়িকে বিপজ্জনক হিসাবে চিহ্নিত করেছে প্রশাসন। অন্যত্র সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছে ১৩১টি পরিবারকে। বিপজ্জনক অবস্থায় থাকা জোশীমঠের দুটি হোটেল ভাঙার কাজ করতে চাইছিল প্রশাসন। এলাকাবাসীর বিক্ষোভের মুখে পড়ে কাজ না করেই ফিরে আসতে হয় ইঞ্জিনিয়ারদের।



