অপরাধজলপাইগুড়ি

বেলুন কিনে দেওয়ার টোপ দিয়ে শিশুকন্যাকে ধর্ষণ, পলাতক অভিযুক্ত

বড়দের দেখে ঘুড়ি ওড়াতে চেয়েছিল ৯ বছরের শিশুকন্যা। কিন্তু তাতে রাজি ছিল না পরিবার। তাতেই কান্না জুড়ে দিয়েছিল সেই মেয়ে। অভিমানী মেয়েকে বাড়ির লোক ভোলাতে পারেনি। তখন এগিয়ে এসেছিল প্রতিবেশী যুবক। বলেছিল রঙ বেরঙের বেলুন দেবে। সেই বেলুন নিতেই সবার অলক্ষ্যে সেই যুবকের সঙ্গে গিয়েছিল মেয়েটি তাদের বাড়িতে। সেখানেই তাকে হাত-পা-মুখ বেঁধে ধর্ষণ করে ওই প্রতিবেশী যুবক।

সেখান থেকে রক্তাক্ত অবস্থায় কাঁদতে কাঁদতে শিশুটি ফিরে এলে বিষয়টি দেখে চমকে যান। দ্রুত তাঁরা ওই শিশুকন্যাকে নিয়ে স্থানীয় হাসপাতালে যান। বুধবার বিকালে উত্তরবঙ্গের জলপাইগুড়ি জেলার ধূপগুড়িতে ঘটে যাওয়া এই ঘটনায় অভিযোগের আঙুল ওঠে চঞ্চল রায় নামে এক যুবকের বিরুদ্ধে।

আরও পড়ুন : বন্ধুর প্রেমিকাকে বিয়ে করতে বন্ধুকেই খুন!

সেই ঘটনার জেরে অভিযোগ ওঠে পুলিশ অভিযোগ দায়ের করতে না চাওয়ার। ধূপগুড়ির শহরের উত্তর বৈরাতিগুড়ি এলাকার বাসিন্দা ওই শিশুকন্যার পরিবারকে বাধ্য করা হয় জলপাইগুড়িতে গিয়ে মেয়েটির মেডিকেল পরীক্ষা করাতে। সেই রিপোর্ট হাতে পাওয়ার পরে শুক্রবার সন্ধ্যায় ঘটনার অভিযোগ দায়ের হয় ধূপগুড়ি থানায়। তবে অভিযুক্ত যুবক এখন গা ঢাকা দেওয়ায় পুলিশ তাকে গ্রেফতার করতে পারেনি। তবে তার সন্ধান চলছে।

যদিও পুলিশের তরফে অভিযোগ দায়ের না করতে চাওয়ার অভিযোগ খন্ডন করা হয়েছে। তাঁদের দাবি, মেয়েটিকে নিয়ে তার পরিবার প্রথমে ধূপগুড়ি হাসপাতালে গিয়েছিল। কিন্তু সেখানে পরীক্ষার পর নাবালিকার ওপর শারীরিক নির্যাতনের কথা রিপোর্টে লেখা হয়েছিল।

ধর্ষণের ঘটনা লেখা হয়নি। সেই কারনেই পরিবারটিকে জলপাইগুড়ি সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে ফের পরীক্ষা করে আনতে বলা হয়। সেই পরীক্ষার রিপোর্টে ধর্ষণ প্রমাণিত হওয়ায় চঞ্চল রায়ের বিরুদ্ধে পকসো ধারায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।

সূত্র: এই মুহুর্তে

আরও পড়ুন ::

Back to top button