জাতীয়

নতুন পার্লামেন্ট ভবনের জাতীয় প্রতীক নিয়ে বিতর্ক!

নতুন পার্লামেন্ট ভবনের ছাদে ব্রোঞ্জের নির্মিত জাতীয় প্রতীক উন্মোচন করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। সোমবার ব্যাপক উৎসাহ নিয়ে উদ্বোধন করা হয়েছে এটি। ৬.৫ মিটার উচ্চতার এই প্রতীকে পিঠে পিঠ লাগানো চারটি এশীয় সিংহকে একটি গোলাকার চক্রের ওপর বসানো হয়েছে। তবে এই প্রতীক নিয়ে বিতর্ক শুরু হয়েছে।

নতুন মূর্তিটি নেওয়া হয়েছে প্রায় ২৫০ খ্রিষ্টপূর্বাব্দের প্রাচীন ভারতীয় ভাস্কর্য থেকে। এনিয়ে অনেকের চোখ কপালে উঠেছে। সমালোচকরা বলছেন, সিংহগুলোর চেহারায় বদল আনা হয়েছে এবং নতুন যে ‘হিংস্র’ চেহারা দেওয়া হয়েছে তার সঙ্গে মূল ভাস্কর্যের মিল নেই।

সোমবার সকালে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি প্রতীকটি উন্মোচনের একটি ভিডিও টুইটারে প্রকাশ করেন। সাড়ে নয় হাজার কেজি ওজনের এই মূর্তিটি নতুন পার্লামেন্ট ভবনের কেন্দ্রীয় হলঘরের ছাদে স্থাপন করা হয়েছে।

সরকারের এক সিনিয়র কর্মকর্তা জানিয়েছেন, নতুন স্থাপিত জাতীয় প্রতীকটি নেওয়া হয়েছে প্রাচীন ভারতের সম্রাট অশোকের রাজধানীতে পাওয়া সিংহ থেকে। প্রায় ২৫০ খ্রিষ্টপূর্বাব্দে রাজত্ব করা এই সম্রাটের রাজধানীতে এই মূর্তি ছিল।

তবে অনেক সোশাল মিডিয়া ব্যবহারকারী বলছেন মূল মূর্তিতে সিংহগুলোর যে ‘নমনীয় এবং রাজকীয়’ ভঙ্গি ছিল তা নতুন স্থাপিত প্রতীকে অনুপস্থিত। এর বদলে এটি দেখতে অনেক বেশি ‘হিংস্র’ হয়েছে।

দিল্লির পুরনো উপনিবেশিক আমলের সরকারি ভবন আধুনিকায়নে দুইশ’ বিলিয়ন রুপির নতুন প্রকল্প গ্রহণ করেছে ভারত। এরই অংশ হিসেবে নতুন পার্লামেন্ট ভবন নির্মাণ করা হচ্ছে। তবে এই প্রকল্পের খরচ এবং নান্দনিকতা নিয়ে সরকারের সমালোচনা করছে বিরোধী দলগুলো।

সোমবার বিরোধী দল কমিউনিস্ট পার্টি অব ইন্ডিয়ার (মার্কসবাদী) নেতা সীতারাম ইয়েচুরি বলেন, জাতীয় প্রতীক উদ্বোধন করে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি সংবিধান লঙ্ঘন করেছেন। এর মাধ্যমে মোদির প্রতিনিধিত্ব করা নির্বাহী বিভাগ এবং আইনসভার মধ্যে ক্ষমতার পৃথকীকিরণকে ‘বিপর্যস্ত’ করা হয়েছে।

এছাড়া উদ্বোধনের সময় পূজা করার কারণেও নরেন্দ্র মোদির সমালোচনা করেন সীতারাম ইয়েচুরি। বিরোধী দলগুলো বলছে এই প্রতীক উদ্বোধনের অনুষ্ঠানে তাদের আমন্ত্রণও জানানো হয়নি।

নতুন পার্লামেন্ট ভবনটি এই বছরের আগস্টে উদ্বোধনের কথা রয়েছে। এই সময়েই স্বাধীনতার ৭৫ বছর উদযাপন করবে। তবে পরে কর্মকর্তারা জানিয়েছেন

আরও পড়ুন ::

Back to top button