ভয় ভেঙে আসুন পর্যটক, প্রদর্শন-বার্তা ঝাড়গ্রামে

স্বপ্নীল মজুমদার, ঝাড়গ্রাম: পথে নেমে পর্যটকদের উদ্দেশ্যে বার্তা দিলেন ঝাড়গ্রামের পর্যটন ব্যবসায়ীরা। মঙ্গলবার ‘ট্রাভেল এজেন্টস্ অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল’ (ট্যাব)-এর উদ্যোগে ওই কর্মসূচির আওতায় রাজ্যজুড়ে পথে নেমে ভ্রমণপ্রিয় মানুষজন এবং সরকারকে বার্তা দেওয়া হল। ট্যাব-এর সদস্য সংগঠন সংস্থা ‘ঝাড়গ্রাম ট্যুরিজম’-এর উদ্যোগে এদিন ঝাড়গ্রামে এই কর্মসূচি হল।
‘ঝাড়গ্রাম ট্যুরিজম’-এর কর্মকর্তা সুমিত দত্ত জানালেন, করোনা আবহে প্রায় ছ’মাস ধরে পর্যটন শিল্প বিপর্যস্ত। সুরক্ষাবিধি ও সরকারি স্বাস্থ্যবিধি মেনে পর্যটন ব্যবসায়ীরা একশো শতাংশ পরিষেবা দিতে প্রস্তুত।
এখনও ভ্রমণপ্রিয় মানুষজনের একাংশ যাঁরা বেড়াতে আসতে কুন্ঠাবোধ করছেন, তাঁদের জন্যই মূলত এই বার্তা দেওয়ার কর্মসূচি। করোনা আবহে সর্বত্রই পর্যটনশিল্প ধাক্কা খেয়েছে। ব্যতিক্রম নয় ঝাড়গ্রামও। আনলক পর্বে সরকারি ও বেসরকারি অতিথিশালা খুলেছে। কিছু পর্যটক আসছেনও।

কিন্তু সংখ্যাটা এখনও আশানুরূপ নয়। অগস্ট-সেপ্টেম্বর থেকেই ঝাড়গ্রামে পর্যটনের মরসুম শুরু হয়ে যায়। শীতকালটা হল জঙ্গলমহলে পর্যটনের ভরা মরসুম। এবার পর্যটক এসেছেন হাতে গোনা কয়েকজন। পর্যটক এলে পর্যটন পেশার সঙ্গে যুক্ত অতিথিশালার মালিক, ভাড়ার গাড়ির সংস্থা, রেঁস্তোরা, টোটোচালক, গাইড ও স্থানীয় বিক্রেতা সবাই লাভবান হন।
আরও পড়ুন : দিল্লিতে প্রণবদার বাড়ি ছিল আমার ঠিকানা
করোনা আবহে চরম ক্ষতির মুখে পড়ে অনেকেরই ঝাঁপ বন্ধ হওয়ার মুখে। সুমিত বলেন, ‘‘আপাতত করোনাকে সঙ্গী করেই আমাদের চলতে হবে। স্বাস্থ্যবিধি ও সুরক্ষাবিধি মেনে বেড়াতে এলে যে ভয়ের কিছু নেই, সেটাই পর্যটকদের উদ্দেশ্যে আমাদের বার্তা।” মঙ্গলবার শহরের প্রবেশপথে বাঁদরভুলা এলাকায় প্ল্যাকার্ড হাতে পর্যটকদের উদ্দেশ্যে বার্তা দেওয়া হল।

এ ছাড়াও শহরের অরণ্যসুন্দরী অতিথিশালার মোড়ে এবং ঝাড়গ্রাম ব্লকের নকাট গ্রামেও একই কর্মসূচি হয়। পর্যটকদের ঝাড়গ্রামে বেড়াতে আসার আমন্ত্রণের বার্তা ছিল প্ল্যাকার্ডগুলিতে। ট্যুর অপারেটর, হোটেল ব্যবসায়ী, ভাড়ার গাড়ির চালক, ভ্রমণ গাইড, রেঁস্তোরার কর্মীদের মতো পর্যটন পেশার সঙ্গে যুক্তরা ওই প্রদর্শন-বার্তা কর্মসূচিতে যোগ দেন।



