
ওয়েব ডেস্ক: ভোট গণনার আগে ফেসবুকে শুভেন্দু অধিকারীর অনুগামী জয় মাহাতো লিখেছিলেন, ‘বাংলায় আসছে মোদী ঝড়’। আর তার জেরে সোমবার বিকেলে ঝাড়গ্রাম শহরের বিদ্যাসাগর পল্লীর বাসিন্দা জয় মাহাতোর বাড়ি ভেঙে চুরমার করে দেওয়ার অভিযোগ উঠল স্থানীয় তৃণমূল কর্মীদের বিরুদ্ধে।
জয়ের মোটর বাইকটিও ভেঙে দেওয়া হয়েছে। জয় আগে ছিলেন শহর তৃণমূলের আইটি সেলের আহ্বায়ক। শুভেন্দু বিজেপিতে যোগ দিতেই ‘দাদার অনুগামী’ জয় নিষ্ক্রিয় হয়ে যান। পরে তিনি তৃণমূলের আইটি সেলের পদ থেকে ইস্তফা দেন। তবে নিয়মিত তৃণমূলের সমালোচনা করে সারাদিন ধরে দফায় দফায় ফেসবুকে নানা পোস্ট করতেন।
এদিন বিকেলে তৃণমূলের সশস্ত্র বাহিনী জয়ের বাড়িতে চড়াও হয়ে ব্যাপক ভাঙচুর করে। রান্নাঘরের একাংশে আগুন লাগানোরও চেষ্টা হয়। কোনও রকমে আত্মগোপন করে প্রাণে বাঁচেন তিনি।

সব হিসেব নিকেশ উল্টে গিয়ে রাজ্য জুড়ে সংখ্যা গরিষ্ঠ আসনে জিতে ফের তৃতীয় বার তৃণমূলের সরকারের মুখ্যমন্ত্রী হতে চলেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তবে শপথ গ্রহণের আগেই বিজেপি কর্মী ও শুভেন্দু অধিকারীর অনুগামীদের বাড়িতে একের পর এক হামলার ঘটনায় উত্তেজনা দেখা দিয়েছে জেলাজুড়ে।
বিজেপি নেতৃত্ব জানিয়ে দিয়েছেন, তাঁরা ধৈৰ্য্যের পরীক্ষা দিচ্ছেন। এরপরেও পুলিশ পদক্ষেপ না করলে পাল্টা প্রতিরোধ হবে। ঝাড়গ্রাম শহরের নতুনডিহির বাসিন্দা বিজেপি কর্মী রথিন মণ্ডলের বাড়িতেও হামলা চালানোর অভিযোগ উঠেছে তৃণমূলের বিরুদ্ধে।
শহরে বিজেপি সমর্থকদের আটটি দোকানেও ভাঙচুর করা হয়েছে। একটি দোকান পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। বেলিয়াবেড়ার পেটবিন্ধি এলাকায় এক বয়স্ক বিজেপি কর্মীর মাথায় ধারালো অস্ত্র দিয়ে কোপানো হয়েছে। সারা জেলা জুড়ে চলছে সন্ত্রাস।



