জাতীয়

ধর্ষণ মামলায় বেকসুর খালাস তেহেলকার প্রতিষ্ঠাতা তরুণ তেজপাল

ধর্ষণ মামলায় বেকসুর খালাস তেহেলকার প্রতিষ্ঠাতা তরুণ তেজপাল - West Bengal News 24

যৌন হেনস্থার মামলায় বেকসুর খালাস পেলেন তহলকা পত্রিকার প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক তরুণ তেজপাল। এর আগে আট বছর আগে তরুণের বিরুদ্ধে তাঁর এক মহিলা সহকর্মী ধর্ষণের অভিযোগ তোলেন। সেই প্রেক্ষিতেই মামলা দায়ের হয়েছিল। সেই মামলার শুনানি চলাকালীন আজ গোয়া আদালতের বিচারপতি ক্ষমা যোশী তরুণকে বেকসুর খালাস ঘোষণা করেন। ২০১৩ সালে তহেলকার এক মহিলা কর্মচারী অভিযোগ তোলেন, গোয়ার একটি রিসর্টের লিফটে তরুণ তাঁকে ধর্ষণ করেছেন।

অফিসের ওপরমহলের একাধিক আধিকারিককে ইমেল পাঠিয়েও তিনি একথা জানান। খবর চাউর হতেই তরুণ তেজপালকে পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়। পরে অভিযোগকারী মহিলা গোয়া পুলিশের কাছে এই সংক্রান্ত এফআইআর দায়ের করেন। ওই বছরই নভেম্বর মাসে তাঁকে গ্রেফতার করে পুলিশ। ভারতীয় দণ্ডবিধির ৩৪১, ৩৪২, ৩৫৪, ৩৫৪-এ, ৩৫৪-বি, ৩৭৬(২)(এফ), ৩৭৬(২)(কে) ধারায় মামলা দায়ের হয়। কোর্টে ২ হাজার ৬৮৪ পাতার চার্জশিট পেশ করে গোয়া পুলিশ জানায়, তরুণের বিরুদ্ধে অভিযোগের একাধিক তথ্যপ্রমাণ রয়েছে।

যদিও এক বছর বাদে ২০১৪ সালের জুলাই মাসে জামিনে মুক্তি পান তিনি। এরপর ২০১৭ সালে তরুণ প্রথমে বোম্বে আদালত এবং তারপর শীর্ষ আদালতের দ্বারস্থ হন। কিন্তু সুপ্রিম কোর্ট শুনানির আবেদন খারিজ করে গোয়ার ট্রায়াল কোর্টেই বিচার চলার নির্দেশ দেয়। এদিন তরুণের হয়ে তাঁর মেয়ে কারা তেজপাল একটি বিবৃতি পেশ করেন। সেখানে বলা হয়, তহলকার প্রাক্তন সম্পাদকের বিরুদ্ধে আনা হেনস্থার সমস্ত অভিযোগ মিথ্যে। সিসিটভি-র ফুটেজ খুঁটিয়ে দেখে বিচারক যেভাবে স্বচ্ছ, নিরপেক্ষ রায় ঘোষণা করেছেন তার জন্য আদালতকেও ধন্যবাদ জানান তিনি।

শুনানি চলাকালীন করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা যান তরুণের আইনজীবী রাজীব গোমস। এদিনের বিবৃতিতে তাঁকেও কৃতজ্ঞতা জানানো হয়। সবশেষে তরুণ ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতার কথা জানাতে গিয়ে যোগ করেন, ‘গত সাত বছরের অভিজ্ঞতা আমার এবং পরিবারের সকলের জন্য মর্মান্তিক হয়ে উঠেছিল। ভুয়ো অভিযোগের জেরে প্রত্যেকে সামাজিক ও ব্যক্তিগত জীবন পুরোপুরি ভেঙে পড়ে।’ এর আগে রায়ের শুনানি কোভিডের জেরে বারবার ব্যাহত হয়। গত বুধবার রায়দানের দিন ঘোষিত হলে সেটাও ঘূর্ণিঝড় তাউটের জেরে পিছিয়ে যায়।

সুত্র : দ্য ওয়াল

আরও পড়ুন ::

Back to top button