রাজ্য

প্রশাসক থেকে তৃণমূল নেত্রী – হাজারো কাজের চাপের মধ্যেও এই কাজ গুলি ভোলেন না মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়

ওয়েস্ট বেঙ্গল নিউজ ২৪

প্রশাসক থেকে তৃণমূল নেত্রী - হাজারো কাজের চাপের মধ্যেও এই কাজ গুলি ভোলেন না মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়

প্রশাসক থেকে তৃণমূল নেত্রী – রাজনীতিক মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে (Mamata Banerjee) তো সবাই চেনেন ৷ হাজারো কাজের চাপ। তবু দিনভর এই ব্যস্ততার মধ্যে আর পাঁচ জন সাধারণ মানুষের মতো মুখ্যমন্ত্রীর জীবনেও প্রতিদিনের কিছু অভ্যাস আছে , যার ব্যতিক্রম ঘটে না৷ মুখ্যমন্ত্রীর ঘনিষ্ঠরা বলেন, বছরের পর বছর ধরে প্রতিদিন নিয়ম করে এই জিনিসগুলি করবেন মুখ্যমন্ত্রী। তবে হ্যাঁ, কলকাতার বাইরে গেলে অবশ্য সেই অভ্যাসগুলিতে ছেদ পড়ে ৷

১. মুখ্যমন্ত্রীর রোজকার অভ্যাসের মধ্যে প্রথমেই থাকে ঘুম থেকে ওঠার পর সকালে ট্রেড মিলে হাঁটা৷ শুধু কলকাতায় কেন , জেলা সফর বা রাজ্যের বাইরে গেলেও সুযোগ পেলেই ট্রেডমিলে ঘাম ঝরিয়ে নেন তৃণমূল নেত্রী৷ এখনও বেশ কয়েক কিলোমিটার টানা হাঁটা তাঁর কাছে জলভাত ৷ তা সে কলকাতার রাস্তা হোক বা দার্জিলিংয়ের খাঁড়া পথ ৷

২. প্রতি বছর বাংলা নববর্ষের আগে নিয়ম করে কালীঘাট মন্দিরে পুজো দিতে যান মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee) ৷ বাড়ির কাছের এই কালীঘাট মন্দিরের সঙ্গে মুখ্যমন্ত্রীর বহু স্মৃতি জড়িয়ে রয়েছে৷ তাই এই নিয়মেও অন্যথা হয় না৷ আবার সম্প্রতি ওড়িশার মুখ্যমন্ত্রী নবীন পট্টনায়েকের (Naveen Pattanayek) সঙ্গে দেখা করতে গিয়েও পুরীর জগন্নাথ মন্দিরে পুজো দিয়ে এসেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী৷

৩. ট্রেডমিলে হাঁটা ছাড়াও কলকাতায় থাকলে বাড়ি থেকে বেরনোর সময় বাড়ির সামনের ছোট্ট মন্দিরে শিব ঠাকুরকে প্রণাম করাটাও কালীঘাটের (Kalighat) বাড়িতে মুখ্যমন্ত্রী যে ঘরে থাকেন, সেই ঘরের বাইরের দেওয়ালেই এই শিব মন্দির। যা বহু পুরনো। দিন অন্তত দু’বার এই মন্দিরের সামনে দাঁড়িয়ে শিব ঠাকুরকে প্রণাম করেন মুখ্যমন্ত্রী। সকালে বাড়ি থেকে বেরনোর সময়। সন্ধেয় বাড়ি ফেরার সময়। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee) কলকাতায় থাকলে এই নিয়মে ছেদ পড়ে না।

৪. এ ছাড়াও প্রতি বছর বাড়ির কালীপুজোয় তো প্রায় একা হাতেই সবকিছু সামলান মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee) ৷ পুজোর আয়োজন থেকে অতিথি আপ্যায়ন, সবদিকেই নজর থাকে তাঁর৷ বছর বদলায়, চ্যালেঞ্জ বদলায়। মুখ্যমন্ত্রীর রুটিন বদলায় না।

আরও পড়ুন ::

Back to top button