রাজ্য

বদলের বাংলায় ইতিহাস! ভবানীপুরে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দুর নেতৃত্বে প্রথম ‘তেরঙ্গা যাত্রা’, গুরুদ্বারে সেবার পর ১০ আগস্টের মেগা পরিকল্পনা

ওয়েস্ট বেঙ্গল নিউজ ২৪

বদলের বাংলায় ইতিহাস! ভবানীপুরে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দুর নেতৃত্বে প্রথম ‘তেরঙ্গা যাত্রা’, গুরুদ্বারে সেবার পর ১০ আগস্টের মেগা পরিকল্পনা - West Bengal News 24

বদলের বাংলায় এই প্রথম পালিত হল ‘হর ঘর তেরঙ্গা’ কর্মসূচি। স্বাধীনতার মাসকে কেন্দ্র করে কয়েক বছর আগেই এই উদ্যোগের সূচনা করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তবে সেই সময় রাজ্যে বিরোধী দলের সরকার থাকায় বাংলার মানুষ ‘তেরঙ্গা যাত্রা’র সাক্ষী হননি। ২০২৬ সালে সরকার পরিবর্তনের পর ‘হর ঘর তেরঙ্গা’ কর্মসূচিকে ঘিরে দেখা গেল বড়সড় আয়োজন।

শুক্রবার, ৭ আগস্ট নিজের বিধানসভা কেন্দ্র ভবানীপুরে এই কর্মসূচির সূচনা করেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। বিকেলে সার্ভে বিল্ডিং থেকে হাজরা মোড় পর্যন্ত আয়োজিত মিছিলে মানুষের ঢল নামে। রাজপথজুড়ে দেখা যায় ত্রিবর্ণ পতাকা। মিছিলে অংশগ্রহণকারীর সংখ্যা ছিল বিপুল। ভবানীপুরের বাসিন্দাদের পাশাপাশি সেখানে উপস্থিত ছিলেন শিল্পমন্ত্রী তাপস চট্টোপাধ্যায়, স্কুল শিক্ষামন্ত্রী দীপক বর্মন-সহ অসংখ্য সাধারণ মানুষ। মিছিলের নেতৃত্বে ছিলেন মুখ্যমন্ত্রী নিজেই।

আরও পড়ুন :: ‘বালিশদের বকলেস… কিন্তু আমি গলার কাঁটা!’ হাইকোর্টে ধাক্কা কুণালের, নজিরবিহীন নির্দেশ বিচারপতির

হাজরা মোড়ে মিছিল পৌঁছনোর পর বক্তব্য রাখেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর কথায়, ‘‘সার্ভে বিল্ডিং থেকে এই হাজরা মোড় পর্যন্ত মিছিল করে আমরা আজ হর ঘর তেরঙ্গা কর্মসূচি শুরু করে দিলাম। আমার সঙ্গে মিছিলে এত মানুষ যোগ দিয়েছেন, তা দেখে আমরা আপ্লুত। সকলের প্রতি কৃতজ্ঞতা। আগামী ১০ তারিখ আমরা নেতাজি মূর্তি থেকে আবার তেরঙ্গা যাত্রা করব। ৫০ হাজার মানুষকে নিয়ে ঐতিহাসিক তেরঙ্গা যাত্রা হবে। বিড়লা তারামণ্ডলের ৭ নং গেট পর্যন্ত যাব আমরা। সবাইকে আমন্ত্রণ জানাচ্ছি। প্রধানমন্ত্রী ভিডিও বার্তায় বলেছেন, ‘দিল সে তেরঙ্গা, প্যায়ার সে তেরঙ্গা, হর ঘর তেরঙ্গা’। এই যাত্রা জাতীয়তাবাদী, দেশপ্রেম জাগ্রত করার লক্ষ্যে আয়োজিত। বাংলায় এবার রাষ্ট্রবাদী সরকার গঠিত হয়েছে। সব জনগণকে আগাম স্বাধীনতা দিবসের রাষ্ট্রবাদী অভিনন্দন।”

শুক্রবার দিনভর নিজের বিধানসভা কেন্দ্র ভবানীপুরেই ব্যস্ত ছিলেন শুভেন্দু অধিকারী। দুপুরে তিনি ভবানীপুরের একটি গুরুদ্বারে যান। গেরুয়া পাগড়ি এবং সাদা পাঞ্জাবি-পাজামা পরে সেখানে প্রার্থনায় অংশ নেন মুখ্যমন্ত্রী। এরপর গুরুদ্বারের অন্যান্য ভক্তদের সঙ্গে সেবামূলক কাজেও যোগ দেন তিনি। ‘লঙ্গরে’ ভক্তদের খাবার পরিবেশন করার পাশাপাশি বাসনও ধুতে দেখা যায় তাঁকে। পরে সকলের সঙ্গে বসে ‘লঙ্গর’-এর খাবার খান মুখ্যমন্ত্রী। পরবর্তীতে তিনি জানান, ভবানীপুরের বিধায়ক এবং রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে এদিন মানুষের সেবায় নিজেকে নিয়োজিত করেছেন।

আরও পড়ুন ::

Back to top button