অরুণাচলপ্রদেশে বাঘিনীর হানায় মৃত্যু চিড়িয়াখানা কর্মীর

নিরাপত্তারক্ষীকে ফাঁকি দিয়ে, রেলিং টপকে সিংহের গুহায় চলে গিয়েছিল এক যুবক। পরিণতি সবারই জানা। সিংহের আঁচড়ে আলিপুর চিড়িয়াখানায় ক্ষতবিক্ষত হতে হয়েছিল ওই যুবককে। কিছুদিন আগের এই ঘটনাই যেন ফিরে এল অরুণাচলপ্রদেশে। তফাত এখানে দুটো। এক চিড়িয়াখানার কর্মী বাঘিনীর হামলায় মারা গেলেন। আর দুই, বাঘের খাঁচা ছিল খোলা।
অসমের লখিমপুর জেলার ঢেকিয়াজুলির বাসিন্দা ছিলেন পলাশ কর্মকার (৩৫)। মঙ্গলবার দুপুর আড়াইটে নাগাদ ইটানগরে অবস্থিত ওই চিড়িয়াখানায় তিনি বাঘের গুহায় ঢুকেছিলেন, চৌবাচ্চার জল পরিস্কার করতে। তখনই অতর্কিতে হামলা চালায় বাঘিনী। ঘটনার কথা শুনেই চিড়িয়াখানার কিউরেটর রাফা ফ্লাগো চিকিত্সক নিয়ে ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন। তাঁর কথায়, ‘অপর এক কর্মীর কাছ থেকে ঘটনার কথা শুনেই গুহায় ছুটে যাই।
সঙ্গে চিকিত্সক ও অন্যান্য কর্মী ছিল। কিন্তু ততক্ষণে ওই কর্মীর মৃত্যু হয়েছে। তাঁর মুখ দিয়ে গলগল করে রক্ত বেরোচ্ছিল।’ তিনি আরও বলেছেন, ‘বাঘের গুহার তিনটি গেট ছিল। আর তিনটিই ছিল খোলা। সম্ভবত সেকারণেই বাঘিনীর হামলা করতে সুবিধা হয়েছে।’ এই ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।
অস্বাভাবিক ঘটনার মামলা রুজু করা হয়েছে। প্রাথমিক তদন্তে পুলিশের অনুমান, নিরাপত্তায় গাফিলতির জন্যই এই ঘটনা ঘটেছে। ময়নাতনন্তের পর মৃত চিড়িয়াখানা কর্মীর দেহ তুলে দেওয়া হবে পরিবারের হাতে।
জানা গেছে ওই বাঘিনীর নাম চিপ্পি। আট মাস বয়স যখন, তখন থেকেই ইটানগরের চিড়িয়াখানায় রয়েছে চিপ্পি। এখন তার বয়স প্রায় ১০।
সূত্র : আজকাল



