ঝাড়গ্রাম

মাওবাদী নামে ফের বনধ, কিছুটা স্বাভাবিক ছিল ঝাড়গ্রাম

ঝাড়গ্রাম: মাওবাদীদের নামাঙ্কিত ছনানো পোস্টারে বনধ ডাকা হয়েছিল। তার জেরে শুক্রবার বিনপুর, বেলপাহাড়ি ও লালগড়ে আংশিক প্রভাব পড়লেও ঝাড়গ্রাম শহর সহ ঝাড়গ্রাম জেলার বিস্তীর্ণ বাকি অংশে জনজীবন স্বাভাবিক রইল।

এদিন ঝাড়গ্রাম শহরে ব্যাঙ্ক, স্কুল-কলেজ, সরকারি ও বেসরকারি অপিস খোলা ছিল। প্রধান ডাকঘরে স্বাভাবিক কাজকর্ম হয়েছে। সকাল থেকেই চলেছে সরকারি বাস। তবে বেসরকারি বাস পথে নামেনি। যার ফলে দুর্ভোগে পড়েন নিত্যযাত্রীরা। এদিন ঝাড়গ্রামের সাধু রামচাঁদ মুর্মু বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বাভাবিক পঠনপাঠন হয়েছে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংবাদিকতা বিভাগে ক্লাস নিতে এসেছিলেন বিশিষ্ট সাংবাদিক জয়ন্ত ঘোষাল। তবে এদিন শহরে কিছু দোকানপাট বন্ধ ছিল। তবে সব্জি ও মাছের বাজার বসেছিল। বিক্রিবাটা ভালই হয়েছে। পুলিশের অবশ্য বক্তব্য, এই বনধ মাওবাদীরা ডাকেনি। পুলিশের একটি সূত্রের খবর, কিছু প্রাক্তন মাওবাদী, যারা পুলিশের হোমগ্রাডের চাকরি এখনও পাননি, তাঁরা পুলিশ-প্রশাসনকে চাপে রাখতে জঙ্গলমহলে পোস্টার দিচ্ছেন।

জেলা পুলিশ সুপার বিশ্বজিৎ ঘোষ বলেন, ‘‘কারা এসব করছে সেটা চিহ্নিত করা হচ্ছে। কড়া পদক্ষেপ করা হবে।’’ বনধের মধ্যেও ঝাড়গ্রামে বেশ কিছু পর্যটক এসেছেন। তবে এদিন দহিজুড়ি থেকে বিনপুর, শিলদা, বেলপাহাড়ি সর্বত্রই বনধের প্রভাব পড়েছিল।

লালগড়েও দোকানবাজার বন্ধ ছিল। লালগনে স্কুল খোলা থাকলেও পড়ুয়াদের উপস্থিতির হার খুবই কম ছিল।

আরও পড়ুন ::

Back to top button