ঝাড়গ্রাম

দগ্ধদিনে ঝাড়গ্রামবাসীর শরীর জুড়োচ্ছে মাটির ভাঁড়ে ‘বেনারসী লস্যি’

স্বপ্নীল মজুমদার

ঝাড়গ্রাম: বারাণসী আর ঝাড়গ্রাম একাকার হয়ে গিয়েছে ঘন লস্যির মিষ্টি-মধুর স্বাদে। ঝাড়গ্রাম শহরের বছর পঁচিশের যুবক অমিত মাহাতো ওরফে সানুর হাতের জাদুতে হাজির বেনারসের ব্লু লস্যি।

তবে নীল রঙের নয়। ঘন সাদা ফেটানো দইয়ের উপরে শুকনো ফল ও বাদামের আস্তরণ উপচে পড়ছে মাটির ভাঁড়ের কোণ বেয়ে। সঙ্গে কাঠের চামচ। এমন তৃপ্তির আয়োজন রয়েছে শহরের নতুন বাসস্ট্যান্ড লাগোয়া কলেজ যাওয়ার রাস্তার ধারে ‘নবান্ন’ নামের দোকানটিতে।

ঝাড়গ্রামে সর্বপ্রথম মাটির ভাঁড়ে লস্যি বিক্রি করছেন সানু। নবান্ন দোকানটি তাঁর বাবা অজিত মাহাতোর। সেখানে চা, কফি ও জলখাবার পাওয়া যায়। গ্রীষ্মে প্রতি বছর লস্যি বিক্রি হয় সেখানে। তবে এতদিন কাঁচের অথবা প্লাস্টিকের গ্লাসে লস্যি পরিবেশন করা হতো।

আরও পড়ুন :: পড়ুয়াদের রসনাতৃপ্তিতে ৫০ টাকায় ফ্রায়েড রাইস-চিলি চিকেন!

তবে সানু ঠিক করেন, পরিবেশ-বান্ধব সামগ্রীতে লস্যি পরিবেশন করবেন। তাই এবার গরমের দিনে সেখানে মিলছে মাটির ভাঁড়ে লস্যি। সানু বলেন, ‘‘বেনারসের লস্যির কদর রয়েছে। ইউটিউব ঘেঁটে সে সব দেখেছি।

কীভাবে বেনারসের পদ্ধতিতে লস্যি বানাতে হয় সেটাও শিখে নিয়েছি।’’ দু’শো এমএলের মাটির ভাঁড়ে ঘন বেনারসী লস্যি খেয়ে তৃপ্তির ঢেঁকুর তুলছেন খদ্দেররা।

আরও পড়ুন ::

Back to top button