আগস্টে অ্যাকাউন্টে ঢোকেনি ৩০০০ টাকা? অন্নপূর্ণা ভাণ্ডারের তালিকা থেকে বাদ পড়তে পারেন কারা?
ওয়েস্ট বেঙ্গল নিউজ ২৪

রাজ্যে নতুন সরকার গঠনের পর অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার প্রকল্প চালু করে নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি পূরণ করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। মে মাসে সরকার ক্ষমতায় আসার পর জুন মাস থেকেই বহু মহিলার ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে তিন হাজার টাকা করে পাঠানো শুরু হয়। টানা দু’মাস প্রকল্পের অর্থ পেলেও আগস্ট মাসে অনেকের অ্যাকাউন্টে টাকা ঢোকেনি বলে অভিযোগ। ফলে প্রকল্পের টাকা বন্ধ হয়ে গেল কি না, তা নিয়ে উপভোক্তাদের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।
সূত্রের খবর, প্রকল্প দ্রুত চালু করার লক্ষ্যে প্রথম মাসে আবেদনকারীদের নথি বিশেষভাবে যাচাই না করেই টাকা ছাড়া হয়েছিল। পরবর্তী সময়ে আবেদন করা সত্ত্বেও জুলাই মাসে বহু যোগ্য মহিলা টাকা পাননি বলেও অভিযোগ সামনে আসে। এরপর থেকেই আবেদনপত্র যাচাইয়ের প্রক্রিয়ায় আরও কড়াকড়ি শুরু করেছে সরকার।
বর্তমানে আবেদনকারীদের জমা দেওয়া সমস্ত তথ্য ও নথি খুঁটিয়ে পরীক্ষা করা হচ্ছে বলে জানা গিয়েছে। প্রয়োজন হলে সংশ্লিষ্ট আবেদনকারীর বাড়িতে গিয়েও তথ্য যাচাই করছেন আধিকারিকরা। ফর্মে দেওয়া আয়, সম্পত্তি এবং পারিবারিক তথ্য বাস্তবের সঙ্গে মিলছে কি না, তা দেখা হচ্ছে। মূল উদ্দেশ্য হল, কোনও অযোগ্য ব্যক্তি যাতে প্রকল্পের আর্থিক সুবিধা না পান।
এই যাচাই প্রক্রিয়ার কারণেই বহু আবেদনকারী অনলাইনে স্টেটাস পরীক্ষা করতে গিয়ে ‘আন্ডার এনকোয়ারি’ লেখা দেখতে পাচ্ছেন। তাঁদের আবেদন এখনও তদন্ত ও যাচাইয়ের পর্যায়ে রয়েছে বলেই ওই স্টেটাস দেখানো হচ্ছে।
জানা গিয়েছে, যাঁরা প্রকল্পের টাকা পাওয়ার জন্য আবেদনপত্রে ইচ্ছাকৃতভাবে ভুল তথ্য দিয়েছেন কিংবা আয় ও সম্পত্তি সম্পর্কে প্রকৃত তথ্য গোপন করেছেন, তাঁদের অন্নপূর্ণা ভাণ্ডারের তিন হাজার টাকা বন্ধ হয়ে যেতে পারে। প্রথম দু’মাস ভুল তথ্যের ভিত্তিতে টাকা পাওয়া গেলেও ভবিষ্যতে সেই সুবিধা আর মিলবে না।
তবে যাঁদের আবেদনপত্র এবং জমা দেওয়া নথিতে কোনও অসঙ্গতি নেই, তাঁদের উদ্বিগ্ন হওয়ার প্রয়োজন নেই। যাচাই প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ হওয়ার পর তাঁরা অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার প্রকল্পের তিন হাজার টাকা পেয়ে যাবেন বলেই জানা যাচ্ছে।



