সম্পর্ক

যে চার কারণে স্বামীর প্রতি স্ত্রীর সন্দেহ বাড়ে

দাম্পত্য জীবনকে দীর্ঘ সময় সুখী রাখতে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে আস্থা থাকা খুবই জরুরি। তা না হলে সম্পর্ক টিকিয়ে রাখা কঠিন হয়ে পড়ে। প্রায়ই আমরা দেখেছি যে একটি ছোট জিনিসও একটি বড় ফাটল সৃষ্টি করতে পারে দাম্পত্য সম্পর্কে। যা সাধারণত উপেক্ষা করা হয়।

আমাদের সমাজে বেশিরভাগ পুরুষ কর্মজীবী ​​এবং তুলনামূলকভাবে গৃহিণীর ভূমিকা পালন করেন এমন স্ত্রীর সংখ্যা বেশি। সেই কারণে সারাদিন কাজের সূত্রে স্বামীর থেকে দূরত্বও স্ত্রীদের কষ্ট দেয়। দিনে প্রায় ৯ থেকে ১০ ঘণ্টা বিচ্ছেদ এবং আরো অনেক ভুল বোঝাবুঝির কারণে সম্পর্কের টানাপোড়েন শুরু হয় দুজনের মধ্যে।

চলুন জেনে নেয়া যাক কেন স্বামীকে নিয়ে স্ত্রীদের সন্দেহবাতিক এতো বেশি-

>> যদি বিয়ের পর বেশ কয়েক মাস বা বহু বছর কেটে গিয়ে থাকে, স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে কথাবার্তা হওয়া খুবই দরকার। কোনো সমস্যা হলে নিজেদের মধ্যে বিষয়টি মিটিয়ে নেয়া ভালো। ব্যস্ততার কারণে পুরুষরা যদি স্ত্রীর সঙ্গে কম কথা বলেন, তাহলে সম্পর্ক নষ্ট হতে বাধ্য।

>> বন্ধুত্ব এমন একটি সম্পর্ক যা বিয়ের পরেও স্থায়ী হয়। সাধারণত যখন একজন পুরুষ একজন নারী বন্ধুর সঙ্গে কথা বলেন, প্রায়শই তার স্ত্রী হিংসা বোধ করতে শুরু করেন। যার কারণে দুজনের মধ্যে বেড়ে যায় দূরত্ব। বাড়তে থাকে মতবিয়োগ। এক্ষেত্রে প্রয়োজন স্বামী যেন তার স্ত্রীকে আশ্বস্ত করেন স্ত্রীর গুরুত্ব তার জীবনে যেকোনো বন্ধুর চেয়ে বেশি।

>> প্রত্যেক স্ত্রীই চান তার স্বামী বাড়িতে এলে তার সঙ্গে কথা বলুক এবং তাকে যথেষ্ট সময় দিক। কিন্তু অনেক পুরুষই মোবাইলের প্রতি তাদের মনোযোগ ত্যাগ করতে পারেন না বাড়ি ফিরেও। কোনো না কোনো গ্যাজেটের সঙ্গে লেগে থাকতে পারে না। পুরুষরা মোবাইল দেখে বেশি হাসলে স্ত্রীর সন্দেহ বহুগুণ বেড়ে যায়। সেজন্য ফোনের চেয়ে জীবনসঙ্গীর সঙ্গে বেশি সময় কাটানো শ্রেয়।

>> বিয়ের আগে আপনার অনেক সম্পর্ক থাকতে পারে, কিন্তু বিয়ের পর যখনই আপনি স্ত্রীর সঙ্গে বসবেন, ভুলেও কখনো আপনার প্রাক্তন প্রেমিকা সম্পর্কে কথা বলবেন না, অন্যথায় স্ত্রী অনুভব করবে যে আপনি এখনো প্রাক্তন প্রেমিকাকে মিস করছেন। বা তাকে ভুলতে পারছেন না। আপনার জীবনের নারীর মনে সন্দেহ সৃষ্টির এটি একটি বড় কারণ।

আরও পড়ুন ::

Back to top button