বেকারদের জন্য বাম্পার সুযোগ! বিনাপয়সায় মিলবে সরকারি দোকান ও গোডাউন, বিরাট ঘোষণা রাজ্যের 💥🔥
ওয়েস্ট বেঙ্গল নিউজ ২৪

রাজ্যে বেকার যুবক-যুবতী এবং স্বনির্ভর গোষ্ঠীর মহিলাদের কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি করতে নতুন পরিকল্পনা নেওয়ার পথে সরকার। বর্তমানে বহু সরকারি গোডাউন ও স্টল দীর্ঘদিন ধরে অব্যবহৃত অবস্থায় পড়ে রয়েছে। সেই পরিকাঠামো ব্যবসার কাজে ব্যবহার করতে আগ্রহীদের আবেদন জানানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। শনিবার এগ্রিকালচার ও মার্কেটিং দপ্তরের আধিকারিকদের সঙ্গে বৈঠকের পর এমনই ইঙ্গিত দেন পঞ্চায়েত ও গ্রামোন্নয়ন, প্রাণিসম্পদ বিকাশ এবং কৃষি বিপণনমন্ত্রী দিলীপ ঘোষ।
বৈদ্যবাটির দিল্লি রোড সংলগ্ন নেতাজি সুভাষ ট্রেনিং ইনস্টিটিউটে এদিন দপ্তরের আধিকারিকদের সঙ্গে বৈঠক করেন মন্ত্রী। বৈঠক শেষে তিনি জানান, রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে একাধিক মার্কেট কমপ্লেক্স, গোডাউন এবং স্টল সরকারি উদ্যোগে তৈরি করা হয়েছে। তবে এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক পরিকাঠামো এখনও ব্যবহার করা হচ্ছে না। এমনও কিছু মার্কেট রয়েছে, যেগুলি নির্মাণ শেষ হওয়ার পরও বছরের পর বছর উদ্বোধনের অপেক্ষায় রয়েছে।
আরও পড়ুন :: শুভেন্দু সরকারের ‘সার্জিক্যাল স্ট্রাইক’! দুর্নীতির অভিযোগে ৪ শীর্ষ সরকারি আধিকারিক সাসপেন্ড
দপ্তর সূত্রে জানা গিয়েছে, রাজ্যে প্রায় ১,৬০০টি সরকারি স্টল রয়েছে। তার মধ্যে প্রায় ৪৫০টি এখনও ব্যবহার করা হয়নি। এছাড়াও ২৫ থেকে ৩০ শতাংশ সরকারি গোডাউন অব্যবহৃত অবস্থায় রয়েছে। এই পরিস্থিতিতে যেখানে ভাড়াটে পাওয়া যাচ্ছে না, সেখানে বেকার যুবক-যুবতী এবং স্বনির্ভর গোষ্ঠীর সদস্যদের ব্যবসা শুরু করার সুযোগ করে দেওয়ার পরিকল্পনা নেওয়া হচ্ছে। প্রাথমিকভাবে তাঁদের বিনা ভাড়ায় এই পরিকাঠামো ব্যবহারের সুযোগ দেওয়ার বিষয়েও আলোচনা হয়েছে।
বৈঠকে দপ্তরের কর্মী বণ্টন নিয়েও পর্যালোচনা করা হয়। কোথাও প্রয়োজনের তুলনায় বেশি কর্মী রয়েছেন, আবার কোথাও কর্মীসংকট রয়েছে। সেই অসামঞ্জস্য দূর করে কীভাবে আরও কার্যকরভাবে কাজ করা যায়, তা নিয়েও আলোচনা হয়েছে।
পাশাপাশি কৃষি বিপণন ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করা, কাজের পরিধি বৃদ্ধি এবং আয় বাড়ানোর লক্ষ্যে বিভিন্ন পদক্ষেপ নিয়েও আধিকারিকদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন মন্ত্রী। সুফল বাংলা প্রকল্পকে আরও সফল করতে বিশেষ উদ্যোগ নেওয়ার কথাও জানানো হয়েছে। সরাসরি কৃষকদের কাছ থেকে সবজি সংগ্রহ করে বাজারে বিক্রির মাধ্যমে সাধারণ মানুষের কাছে কম দামে তাজা সবজি পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্য নিয়েই এগোতে চাইছে সরকার।



