রাজ্য

লক্ষ্মীর ভাণ্ডার অতীত! এবার ‘অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার’-এ মাসে ৩০০০, আরও বাড়ছে বিধবা ও বার্ধক্য ভাতা

ওয়েস্ট বেঙ্গল নিউজ ২৪

লক্ষ্মীর ভাণ্ডার অতীত! এবার ‘অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার’-এ মাসে ৩০০০, আরও বাড়ছে বিধবা ও বার্ধক্য ভাতা - West Bengal News 24

আগামী ১ জুন থেকে ‘অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার’ প্রকল্পের মাধ্যমে বাংলার মহিলাদের মাসে ৩০০০ টাকা করে দেওয়া হবে বলে আগেই ঘোষণা করেছে রাজ্য সরকার। প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী সমস্ত মহিলাকেই এই সুবিধার আওতায় আনা হবে বলেও জানানো হয়েছে। এবার সেই তালিকায় যুক্ত হতে পারে বিধবা ভাতা, বার্ধক্য ভাতা এবং প্রতিবন্ধী ভাতাও। সূত্রের খবর, বর্তমানে যে ১০০০ টাকা করে ভাতা দেওয়া হয়, তা বাড়িয়ে ২০০০ টাকা করার বিষয়ে চিন্তাভাবনা চলছে।

বাংলার রাজনীতিতে মহিলা ভোট বরাবরই অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সেই কারণেই পূর্বতন তৃণমূল সরকার ‘লক্ষ্মীর ভাণ্ডার’ প্রকল্প চালু করেছিল। শুরুতে মাসিক ভাতার পরিমাণ ছিল ৫০০ টাকা। পরে ধাপে ধাপে তা বাড়িয়ে ১৫০০ টাকা করা হয়। তফসিলি জাতি ও জনজাতির মহিলাদের জন্য সেই পরিমাণ বৃদ্ধি পেয়ে হয় ১৭০০ টাকা। অন্যদিকে, বিধানসভা নির্বাচনের আগে বিজেপি ‘অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার’ প্রকল্পের প্রতিশ্রুতি দেয়।

আরও পড়ুন :: নবান্নের কড়া নির্দেশ! ১০:১৫-র মধ্যে হাজিরা বাধ্যতামূলক, ৫:১৫-র আগে অফিস ছুটি নয়

জানানো হয়, ক্ষমতায় এলে মহিলাদের মাসিক ভাতা ৩০০০ টাকা করা হবে। নির্বাচনে জয়লাভের পর মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর (CM Suvendu Adhikari) নেতৃত্বে অনুষ্ঠিত প্রথম মন্ত্রিসভার বৈঠকেই সেই সিদ্ধান্তে অনুমোদন দেওয়া হয়। পাশাপাশি ঘোষণা করা হয়, আগামী জুন মাস থেকেই এই প্রকল্পের বর্ধিত ভাতা চালু হবে। তবে এরপর থেকেই অন্যান্য সামাজিক প্রকল্পের ভবিষ্যৎ নিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে কিছুটা উদ্বেগ তৈরি হয়েছিল।

যদিও সেই জল্পনায় জল ঢেলে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী স্পষ্ট জানিয়েছেন, কোনও জনকল্যাণমূলক প্রকল্প বন্ধ করা হবে না। বর্তমানে মানুষ যে সমস্ত সরকারি সুবিধা পাচ্ছেন, সেগুলিও চালু থাকবে। এর মধ্যেই এবার বিধবা ভাতা, বার্ধক্য ভাতা এবং প্রতিবন্ধী ভাতার মতো গুরুত্বপূর্ণ সামাজিক সুরক্ষা প্রকল্পগুলির বরাদ্দ বৃদ্ধির সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।

আরও পড়ুন :: ‘প্রভাবশালী’ তত্ত্বে ২১ মে পর্যন্ত ইডি হেফাজতে সুজিত বসু, মিলল কোটি কোটি টাকার লেনদেনের হদিস

যদিও কবে থেকে এই বাড়তি ভাতা কার্যকর হবে, সে বিষয়ে এখনও সরকারিভাবে কিছু জানানো হয়নি। তবে এই সিদ্ধান্ত বাস্তবায়িত হলে রাজ্যের বহু মানুষ উপকৃত হবেন বলেই মনে করা হচ্ছে। যদিও এ প্রসঙ্গে রাজ্যের নারী ও শিশুকল্যাণ মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পল জানিয়েছেন, এখনও পর্যন্ত এই বিষয়ে চূড়ান্ত কোনও সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি।

আরও পড়ুন ::

Back to top button